পুজো এগিয়ে এলেও বর্ষা বিদায়ের কোনও খবরই দিচ্ছে না আবহাওয়া দফতর। তবে আইএমডি জানিয়েছে, সময়ের আগেই গত ১৪ সেপ্টেম্বর পশ্চিম রাজস্থানের কিছু অংশ থেকে বিদায় নিয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু । কিন্তু আপাতত বর্ষার প্রভাব জাঁকিয়েই বজায় থাকবে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে। আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, উত্তরবঙ্গ জুড়ে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। কিছু কিছু এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। দক্ষিণবঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বিচ্ছিন্নভাবে ভারী বৃষ্টিপাত এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। বিশেষ করে আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়ি জেলায় উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত এবং দক্ষিণবঙ্গের মুর্শিদাবাদে কিছু ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে একটি নিম্নচাপ অঞ্চল তৈরি হলেও এখন তা তেলঙ্গানার উপরে সরে গিয়েছে। আপাতত পশ্চিমবঙ্গের উপর নিম্নচাপের সরাসরি কোনও প্রভাব নেই। তবে, উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় ব্যাপক হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত এবং ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বিচ্ছিন্নভাবে ভারী বৃষ্টিপাত এবং বজ্রপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
সোমবার দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি/বজ্রপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে -
- পুরুলিয়া
- বাঁকুড়া
- মুর্শিদাবাদ
- পশ্চিম বর্ধমান
- বীরভূম জেলার এক বা দুটি জায়গায় (০৭-১১ সেমি) হতে পারে ।
বজ্রপাত ও দমকা হাওয়া বইতে পারে -
- দক্ষিণবঙ্গের পুরুলিয়াট
- বাঁকুড়া
- মুর্শিদাবাদ
- বীরভূম
- নদিয়া
- পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান
- পশ্চিম মেদিনীপুর
- দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার এক বা দুটি জায়গায়
মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি/বজ্রপাতের সম্ভাবনা রয়েছে,সেই সঙ্গে বইবে ৩০-৪০ কিমি/ঘন্টা বেগে ঝোড়ো হাওয়া। বুধবার বুধবার বিশ্বকর্মা পুজোর দিন। দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি ও বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলারই কয়েকটি এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।
কোথায় হলুদ সতর্কতা
বুধবার ভারী বৃষ্টি চলবে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে। এই পাঁচ জেলায় জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার ও উত্তর দিনাজপুর জেলার এক বা দুটি জায়গায় ভারী বৃষ্টিপাত (০৭-১১ সেমি) হতে পারে। এছাড়াও, উত্তরবঙ্গের সমস্ত জেলার এক বা দুটি জায়গায় বজ্রপাত, বজ্রপাত এবং দমকা বাতাস বইবে।