Continues below advertisement

কলকাতা: দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার দাপট আরও বাড়তে চলেছে। আগামী ১০ জুলাই থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্র-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এর পাশাপাশি একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অনেক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ এবং ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিমি, কোথাও কোথাও ৪০ থেকে ৫০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।

সবচেয়ে বেশি সতর্কতা : দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই বৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে নদিয়া, পূর্ব বর্ধমান ও বাঁকুড়ায় ৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং কলকাতায় ৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

Continues below advertisement

দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে ঘণ্টায় ৪০-৫০ কিমি বেগে দমকা হাওয়া ও বজ্রবিদ্যুতের আশঙ্কা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও ৩০-৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।

১১ জুলাই: চার জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা

১১ জুলাই দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে। বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া ও পূর্ব বর্ধমানে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ ও ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।

১২ জুলাই: তিন জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা

১২ জুলাই বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও পূর্ব বর্ধমানে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ ও ঝোড়ো হাওয়া হতে পারে।

১৩ জুলাই: আট জেলায় ভারী বৃষ্টি

১৩ জুলাই বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং হাওড়ায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ ও ৩০-৪০ কিমি বেগে দমকা হাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে।

১৪ জুলাই: পাঁচ জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা

১৪ জুলাই বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান ও মুর্শিদাবাদে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বাকি অংশেও বজ্র-সহ বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে।

১৫ ও ১৬ জুলাই

১৫ এবং ১৬ জুলাই দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই অনেক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্র-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

  • ভারী বৃষ্টি ও বজ্রঝড়ের সম্ভাব্য প্রভাব ।
  • নিচু এলাকা ও আন্ডারপাসে সাময়িক জল জমতে পারে।
  • দাঁড়িয়ে থাকা ফসল ও উদ্যানপালনের ক্ষতি হতে পারে। 
  • খোলা মাঠে বজ্রপাতের ঝুঁকি বাড়তে পারে।   
  • প্রয়োজনে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হতে পারে। কী কী সতর্কতা মেনে চলবেন?  বজ্রঝড় বা প্রবল বৃষ্টির সময় নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিন। গাছ, বৈদ্যুতিক খুঁটি বা জলাশয়ের কাছে আশ্রয় নেবেন না। অপ্রয়োজনীয় বাইরে বের হওয়া এড়িয়ে চলুন। স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলুন। মৎস্যজীবীদের জন্য বিশেষ সতর্কতা  পশ্চিমবঙ্গ উপকূল এবং সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় ঘণ্টায় ৩৫ থেকে ৪৫ কিমি বেগে দমকা হাওয়া, যা দমকে ৫৫ কিমি পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। তাই ওই দিন মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।