কলকাতা: ফের ঝড় ও বৃষ্টির পূর্বাভাস রাজ্য়ে। দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় আজ ও আগামীকাল ঝড় -বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। ১১ তারিখ অবধি দুর্যোগের আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি, উত্তরবঙ্গেও প্রবল ঝড় ও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।
আরও পড়ুন, মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা হলেন সুব্রত গুপ্ত, লক্ষ্য কী ? জানালেন এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে
বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাস্প প্রবেশের জন্য পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে, বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা অত্যন্ত প্রবল
পূর্ব বিহার ও সংলগ্ন এলাকার উপর অবস্থানকারী বায়ুমণ্ডলের ঘূর্ণাবর্তটি বর্তমানে উপ-হিমালয় পশ্চিমবঙ্গ ও সংলগ্ন এলাকার উপর অবস্থান করছে এবং এটি গড় সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১.৫ থেকে ৫.৮ কিমি, উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। পূর্ব রাজস্থানের উপর অবস্থানকারী, উপরের বায়ুমণ্ডলের ঘূর্ণাবর্ত থেকে পূর্ব ঝাড়খণ্ড পর্যন্ত বিস্তৃত অক্ষরেখাটি মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিশগড়ের উপর দিয়ে, গড় সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ০.৯ কিমি উচ্চতায় অবস্থান রয়েছে। অনুকূল বায়ুপ্রবাহ এবং বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণ জলীয় বাষ্প প্রবেশের কারণে, পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে, বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির কার্যকলাপ, অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা অত্যন্ত প্রবল।
৫০ থেকে ৬০ কিমি বেগে প্রতি ঘণ্টায় ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে
আইএমডি সূত্রে খবর, দক্ষিণবঙ্গের ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, দুই বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদে ঝড় -বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। কমলা ও হলুদ সতর্কতা রয়েছে। ৫০ থেকে ৬০ কিমি বেগে প্রতি ঘণ্টায় ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে আশঙ্কা রয়েছে। সতর্কতা রয়েছে ১১ তারিখ অবধি।হাওয়া অফিস জানিয়েছে, উত্তরবঙ্গের উপরের দিকে জেলাগুলিতে দুর্যোগের আশঙ্কা রয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে দুই দিনাজপুর ও মালদায়। ৪০ থেকে ৫০ কিমি বেগে বয়ে যেতে পারে ঝোড়ো হাওয়া।
তাপমাত্রা ও কয়েকটি বিষয়ে সতর্কতা
ঝড় বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রায় খুব একটা বড় প্রভাব পড়বে না। আগামী ৭ দিনে উত্তরবঙ্গের সমস্ত জেলায় দিনের তাপমাত্রা (সর্বোচ্চ তাপমাত্রা) তে কোনও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হবে না। আগামী ৩ দিনে দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার বিশেষ কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। এবং পরবর্তী ৩ দিনে ধীরে ধীরে ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সে বৃদ্ধি পেতে পারে। দুর্যোগের কিছু সতর্কতামূলক বার্তা দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বজ্রপাতের সময় নিরাপদ স্থানে যেন আশ্রয় নিতে হবে। বজ্রপাতের সময় কোনওভাবেই যেন বৈদ্যুতিক খুঁটির নিচে কেউ এসে দাঁড়ায়। পাশাপাশি জলাশয়ের সংস্পর্শে সেসময় কেউ যেন না থাকে কিংবা কোনও গাছের তলাতেও কেউ যেন দাড়ায় বলেই অনুরোধ হাওয়া অফিসের।
