কলকাতা:ভোটের আগে ব্যাপক ঝড়বৃষ্টি, আলিপুরদুয়ারে লন্ডভন্ড DCRC সেন্টার। আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয় ময়দানে ভাঙল DCRC সেন্টারের টেন্ট। পরশু ভোট, কালই DCRC থেকে ভোটের সামগ্রী নেওয়ার কথা ভোটকর্মীদের। প্রচন্ড ঝড়ে ভেঙে পড়ল বুথের সামনের টেন্ট। গাছ পড়ে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে যাওয়ায় দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুৎহীন আলিপুরদুয়ার শহর। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, প্রথম দফা ভোটের আগে ভয়াবহ পরিস্থিতি রাজ্যের জেলায় জেলায় ! প্রচারের শেষ দিনে কোথায় কোথায় অশান্তি ?

Continues below advertisement

মূলত পূর্বেই ঝড়-বৃষ্টির কথা পূর্বাভাসে জানিয়েছিল হাওয়া অফিস। আইএমডি সূত্রে খবর ছিল, ঝোড়ো হাওয়া সেই সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বর্ষণ উত্তরবঙ্গের উপরের ৫ জেলায় হবে। হলুদ সতর্কতার তালিকায় ছিল আলিপুরদুয়ারও। সেই পূর্বাভাসের ঠিক পরপরই এবার ঝড়-বৃষ্টির মুখোমুখী আলিপুরদুয়ার। উত্তরবঙ্গে ঝড় ও বৃষ্টির আশঙ্কা থাকছে আগামী ২৬ এপ্রিল অবধি। এদিকে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে দক্ষিণবঙ্গেও। তবে দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলাতেই রয়েছে গরম ও আর্দ্রতাজনিত জলীয়বাস্পের আশঙ্কা। 

তবে দক্ষিণবঙ্গে কিছু জেলায়  ২৬ এপ্রিল অবধি  শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। যার দরুণ গরম অনুভূত হবে এবং আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও বজায় থাকবে। পাশাপাশি ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত হালকা-মাঝারি বৃষ্টি-সহ বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিও হবে। আবহাওয়া দফতর আরও জানিয়েছে,  দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২ -৩ ডিগ্রি বৃদ্ধি পাবে। তবে তারপরে আর কোনও তাপমাত্রার বড় পরিবর্তন হবে না। তবে এই সপ্তাহে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বাড়তে পারে জানিয়ে আগেই হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

আইএমডি সূত্রে খবর, শুধু এদিনই নয়, কাল থেকে আগামী ২৬ তারিখ অবধি উত্তরবঙ্গের  জেলাগুলিতেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ৪০ কিমি বেগে প্রতিঘণ্টায় ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলেও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। মূলত দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার অর্থাৎ উত্তরবঙ্গের ৫ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বর্ষণের পূর্বাভাস রয়েছে। এই আশঙ্কা ২৬ এপ্রিল অবধি থাকবে। আগামী ৫-৬ দিনেও উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রার কোনও বড় পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা নেই। 

তবে এবার আরও একটা বিষয়েও বারবার সতর্ক করা হচ্ছে হাওয়া অফিসের তরফে। তা হল একদিকে প্রচন্ড গরমে ১১ টা থেকে ৪ টে এই সময়টায় যদি বাইরে বেরনো থেকে বিরত থাকা যায় কিংবা দীর্ঘ সময় বাইরে না থাকার অনুরোধ। অপরদিকে ঝুড়-বৃষ্টি কিংবা বজ্রপাতের সময় কোনও দুর্বল খুঁটি, বিদ্যুৎ এর পোস্ট বা গাছের তলায় না থাকতে, জলাশয়ের সংস্পর্শে না যেতে।