পশ্চিম মেদিনীপুর: সবংয়ে দুর্ঘটনার জেরে ডাম্পারে আগুন, দুই ডাম্পারের মুখোমুখি সংঘর্ষের পরই একটিতে আগুন। সবংয়ের নীলা বাসস্ট্য়ান্ড এলাকায় ২ ডাম্পারের মুখোমুখি সংঘর্ষ। দাঁড়িয়ে থাকা একটি ডাম্পারে অন্য ডাম্পারের ধাক্কা। দুর্ঘটনার পর দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে একটি ডাম্পার । আগুন ছড়িয়ে পড়ে দুর্ঘটনাস্থলের কাছে থাকা খড়ের গাদায়। দমকলের চেষ্টায় ডাম্পারের আগুন নিয়ন্ত্রণে।

আরও পড়ুন, হাড়োয়ার তৃণমূল বিধায়কের আয়োজিত বিজয়া সম্মিলনীতে গরহাজির একাধিক নেতা ! ফের TMC-র 'গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব' প্রকাশ্যে

 সম্প্রতি বিষ্ণুপুর ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কে উড়ালপুলের উপর একটি যাত্রী বোঝাই বেসরকারি বাসের সঙ্গে ডাম্পারের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। ঘটনায় আহত হয়েছিল ৬ বাস যাত্রী। তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছেছিল বিষ্ণুপুর থানার পুলিশ, আহতদের উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়েছিল বিষ্ণুপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাঁকুড়ার দিক থেকে একটি ডাম্পার মেদিনীপুরের দিকে যাচ্ছিল ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে। অন্যদিকে বিষ্ণুপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে কোতুলপুরের দিকে যাচ্ছিল এটি যাত্রী বোঝাই বেসরকারি বাসটি। এরপর বাস ও ডাম্পার দুটি ওভারব্রিজে বাঁক নেওয়ার সময় মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছিল। সংঘর্ষে দুমড়ে মুছরে গিয়েছিল বাসের সামনের অংশ। আহত হয়েছিল ৬ জন বাসযাত্রী। আহতদের ভর্তি করা হয়েছিল বিষ্ণুপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। বাস ও ডাম্পার দুটিকেই আটক করেছিল বিষ্ণুপুর থানার পুলিশ। কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটলো তার তদন্ত শুরু করেছিল বিষ্ণুপুর থানার পুলিশ।

এর আগে মর্মান্তিক দুর্ঘটনার মুখোমুখী হয়েছিল বাঁকুড়া। বোলারো পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ এড়াতে গিয়ে, উল্টে গিয়েছিল পর্যটকবাহি বাস। আহত হয়েছিলেন অন্তত ১৫ জন পর্যটক। মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল ইন্দপুরের বাগডিহা এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে খবর এসেছিল, কলকাতা থেকে ৬৫ জন পর্যটককে নিয়ে মুকুটমণিপুরের দিকে যাচ্ছিল ওই পর্যটকবাহী বাস। বাঁকুড়া-খাতড়া রাজ্য সড়ক ধরে যাওয়ার পথে ইন্দপুরের বাগডিহার কাছে উল্টে যায় বাসটি। এই ঘটনায় কমবেশি আহত হয়েছিলেন অন্তত ১৫ জন পর্যটক। প্রত্যেকেই কলকাতার রুবি এলাকার বাসিন্দা ও রিক্সা চালক ইউনিয়নের সদস্য। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছিল ইন্দপুর থানার পুলিশ। স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে ইন্দপুর ব্লক হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিল। এদের মধ্যে গুরুতর আহত তিন জনকে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল।