কলকাতা: এবার তোলা না পেয়ে, মহিলাকে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল নদিয়ার আড়ংঘাটায়। গুরুতর এই অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের একাংশের বিরুদ্ধে। ওই মহিলা অভিযোগ করেছেন, তিনি একাই থাকেন। অভিযুক্তরা তাঁর কাছে তোলা দাবি করেছিল। সেটা ওই মহিলা দিতে না চাইলেই শুরু হয় মারধর। শ্লীলতাহানি পর্যন্ত করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন ওই মহিলা। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ধানতলা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই মহিলা। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে, জানানো হয়েছে পুলিশ সূত্রে। অন্যদিকে, এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দিয়েছে তৃণমূল ও। দলের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, দল এই ধরণের কোনও কাজ বা ঘটনা সমর্থন করে না। প্রয়োজনে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Continues below advertisement

নদিয়ার আড়ংঘাটায় তোলা না পেয়ে মহিলাকে মারধর, শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের একাংশের বিরুদ্ধে। পুলিশ সূত্রে খবর, নির্যাতিতা মহিলা একা থাকেন। বেশ কিছুদিন ধরে তাঁর কাছে তোলা দাবি করছিল অভিযুক্তরা। মহিলা তোলা দিতে না চাইলে ২০ ফেব্রুয়ারি তাঁকে বেধড়ক মারধর ও শ্লীলতাহানি করা হয়। ধানতলা থানায় অভিযোগ করেন নির্যাতিতা। প্রতিবেশীরা তাঁকে উদ্ধার করে রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করে। এখনও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। অভিযুক্তরা লাগাতার হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন নির্যাতিতা। পুলিশ জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে, প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, অভিযুক্তদের সঙ্গে দলের নাম জড়ালেও দল এই রকম ঘটনা কখনও সমর্থন করে না। প্রশাসন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না করলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিজেপি।

হাওড়ার পিলখানায় প্রোমোটার খুনের ঘটনায় গ্রেফতার ৩

Continues below advertisement

হাওড়ার পিলখানায় প্রোমোটার সফিক খানকে খুনের ঘটনায় ৩ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল গোলাবাড়ি থানা। ধৃত ৩৬ বছর বয়সি মহম্মদ বিলাল কলকাতার জোড়াসাঁকো থানার কলাবাগান এলাকার বাসিন্দা। ধৃত ৩২ বছর বয়সি মহম্মদ ওয়াকিল ওরফে মুন্না ও  দিলদার হোসেন বউবাজার এলাকার বাসিন্দা। গতকাল গভীর রাতে হাওড়া সিটি পুলিশের গোয়েন্দারা এবং গোলাবাড়ি থানা গোপন সূত্রে খবর পেয়ে জোড়াসাঁকোর গোপন আস্তানা থেকে ৩ জনকে গ্রেফতার করে। পুলিশ সূত্রে খবর, সফিক খানকে খুনের পরে হারুন খান এবং রোহিত হোসেন জোড়াসাঁকোয় মহম্মদ বিলালের কাছে আশ্রয় নেয়। হারুন খান ও রোহিত হোসেনের কাছে নিয়মিত যাতায়াত ছিল ধৃত তিন জনের। দুই মূল অভিযুক্তর খোঁজ পেতে তিনজনকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করছে হাওড়া সিটি পুলিশের গোয়েন্দারা। ধৃতদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করেছে গোলাবাড়ি থানা।