কলকাতা: ভোটের মুখে রাজ্যজুড়ে চলছে বেকার ভাতার ফর্ম বিলি। এপ্রিল থেকেই যুব সাথী অর্থাৎ বেকারভাতা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ক্যাম্প করে এই প্রকল্পের জন্য আবেদন নেওয়া হবে। রাজ্যের ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সি মাধ্যমিক বা সমতুল্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষিত যুব সমাজকে কর্মসংস্থানের পথে সাহায্য করার জন্য সরকার ‘বাংলার যুব-সাথী’ নামে নতুন প্রকল্প চালু করছে। যাঁরা শিক্ষা সংক্রান্ত বা স্কলারশিপ ছাড়া রাজ্য সরকারের অন্য কোনও সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন না, তাঁদের কর্মসংস্থান না হওয়া পর্যন্ত, সর্বাধিক ৫ বছর অবধি, মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে।

Continues below advertisement

অফলাইনে ফর্ম পাওয়া যাচ্ছে। তবে অনেক সময়ই লম্বা লাইন থাকছে, সেখানে সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু অনলাইনে আবেদন করার সময় একাধিকবার ফাইল সাইজ নিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। স্ক্যান করা বা মোবাইল ক্যামেরায় তোলা ছবিগুলোর সাইজ পোর্টালে নির্দিষ্ট সীমার চেয়ে বেশি হওয়ায় এই সমস্যা হচ্ছে। 

কীভাবে আপনি বাড়িতে বসেই নিজের মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে সহজেই আবেদন করতে পারবেন?  

Continues below advertisement

প্রথমে আপনার মূল ডকুমেন্টগুলোর একটি ফটোকপি করান। জেরক্স কপিটির নিচের দিকে নিজের সই করুন। সইয়ের উপরে “Self Attested” কথাটি লিখে দিতে পারেন, তবে শুধুমাত্র সই করলেও চলবে। এবার সই করা ওই পাতাটির ছবি তুলুন বা স্ক্যান করুন। খেয়াল রাখবেন, এই ফাইলের ফরম্যাট যেন অবশ্যই PDF হয় এবং সাইজ ৩০০ KB (300 KB)-এর মধ্যে থাকে।

আপনার তোলা ছবির সাইজ যদি ১ MB বা তার বেশি হয়, তবে চিন্তার কিছু নেই। অনলাইনেই এটি ছোট করা সম্ভব। গুগলে গিয়ে যেকোনো একটি ‘JPG to PDF Converter’ ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার ফোনে থাকা সেলফ-অ্যাটেস্টেড ডকুমেন্টের ছবিটি সিলেক্ট করুন। কনভার্ট করার সময় আউটপুট সাইজ বা টার্গেট সাইজ অপশন থাকলে সেখানে ২৭০-২৮০ KB সিলেক্ট করুন। ৩০০ KB-এর একদম বর্ডারে না রাখাই ভালো, এতে আপলোডে সমস্যা হতে পারে। পিডিএফ তৈরি হয়ে গেলে সেটি ডাউনলোড করে নিন। ফাইলের গুণমান ঠিক রেখেই সাইজ কমে যাবে এবং লেখাগুলো স্পষ্ট পড়া যাবে।

ডকুমেন্টের মতো ছবি এবং সিগনেচারের ক্ষেত্রে পিডিএফ চলবে না। এখানে ফরম্যাট হতে হবে JPG এবং সাইজ হতে হবে ৫০ KB-এর নিচে।

যুবসাথী পোর্টালে সাধারণত মাধ্যমিকের অ্যাডমিট ও মার্কশিট, কাস্ট সার্টিফিকেট, ব্যাঙ্কের পাসবুক, আধার এবং ভোটার কার্ড আপলোড করার প্রয়োজন হয়।