কলকাতা: ভোটের আগে, যুব সাথীর মতো প্রকল্প ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। যেখানে, ১ এপ্রিল থেকে, বেকার যুবক-যুবতীদের অ্যাকাউন্টে ঢুকবে দেড় হাজার টাকা। রবিবার থেকে প্রত্যেক বিধানসভা কেন্দ্রে 'বাংলার যুব সাথী' (বেকার ভাতা) ক্যাম্প শুরু হয়েছে। প্রকল্পে নাম লেখাতে দিকে দিকে লম্বা লাইন পড়েছে।    

Continues below advertisement

লাইনে দাঁড়়িয়ে আবেদনের পাশাপাশি অনলাইনেও 'বাংলার যুব সাথী' প্রকল্পের জন্য আবেদন করা যাচ্ছে। রবিবার রাত থেকেই আবেদনকারীরা নির্দিষ্ট পোর্টাল https://apas.wb.gov.in-এ প্রবেশ করে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করতে পারছেন। এছাড়া নির্ধারিত ক্যাম্প অফিস থেকেও হার্ড কপি সংগ্রহ করা যাচ্ছে। 

কীভাবে অনলাইনে আবেদন করবেন? 

Continues below advertisement

প্রথমে নির্দিষ্ট পোর্টালে (https://apas.wb.gov.in/) গিয়ে ‘Apply Online’ বিভাগে নিজের মোবাইল নম্বর ও ক্যাপচা কোড দিয়ে ওটিপি (OTP) ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করতে হবে। এটি সফল হলেই মূল ফর্মটি স্ক্রিনে ভেসে উঠবে।

ফর্মে নিজের নাম, জেন্ডার, জন্মতারিখ এবং জাতিগত তথ্য (SC/ST/OBC/General) নির্ভুলভাবে পূরণ করতে হবে। মাধ্যমিকের নথিতে যে বানান আছে সেই বানানই লিখুন। 

বাড়ি নম্বর, গ্রাম, জেলা, ব্লক বা মিউনিসিপ্যালিটি এবং পিনকোড সহ সম্পূর্ণ ঠিকানা ড্রপডাউন মেনু থেকে নির্বাচন করতে হবে। শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে সর্বশেষ পাস করা পরীক্ষার নাম, সাল, বোর্ড এবং রোল নম্বর দিতে হবে।

‘Present Occupation’ এর ঘরে নির্দেশিকা অনুযায়ী, এখানে সরাসরি ‘বেকার’ বা ‘Not Employed’ না লেখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আপনি যদি পড়াশোনা করেন তবে ‘Student’ এবং যদি ছোটখাটো কোনো কাজ বা টিউশন করেন তবে ‘Self Employed’ নির্বাচন করুন। 

আধার লিংক করা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের আইএফএসসি কোড ও অ্যাকাউন্ট নম্বর খুব সতর্কতার সঙ্গে পূরণ করতে হবে। ফর্মের শেষ ধাপে অন্য কোনো সরকারি ভাতা (যেমন কন্যাশ্রী বা ঐক্যশ্রী) পাচ্ছেন কি না, তা জানিয়ে এবং সমস্ত ডকুমেন্ট আপলোড করে ‘Final Submit’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।

এরপর আবেদন সফল হলে একটি ‘Application ID’ দেওয়া হবে, যা স্ট্যাটাস চেক করার জন্য ব্যবহার করতে পারেন। 

অন্তর্বর্তী বাজেটে 'বাংলার যুব সাথী' নামে নতুন প্রকল্পের ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। যে প্রকল্পের মাধ্যমে ন্যূনতম মাধ্যমিক উত্তীর্ণরা সুবিধা পাবেন। প্রতি মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা করে এই 'বেকার ভাতা' পাওয়া যাবে ৫ বছরের জন্য। প্রথমে, ২০২৬-এর ১৫ই অগাস্ট থেকে এই প্রকল্প চালু করার কথা হলেও, পরবর্তীকালে ভাতা দেওয়া শুরু করার সময়সীমা এগিয়ে আনেন মুখ্যমন্ত্রী।