Yuvasathi Payment: বিধানসভা ভোটের আগে, গত ৫ ফেব্রুয়ারি, অন্তর্বর্তী বাজেটে বাংলার যুব সাথী' নামে নতুন প্রকল্পের ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। যে প্রকল্পের মাধ্যমে ন্যূনতম মাধ্য়মিক উত্তীর্ণরা সুবিধা পাবেন। প্রতি মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা করে এই 'বেকার ভাতা' পাওয়া যাবে ৫ বছরের জন্য। প্রথমে, ২০২৬-এর ১৫ই অগাস্ট থেকে এই প্রকল্প চালু করার কথা হলেও, পরবর্তীকালে ভাতা চালুর সময়সীমা পয়লা এপ্রিলে এগিয়ে আনেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার সেই পয়লা এপ্রিলের বদলে ৭ মার্চ থেকেই চালু হয়ে গেল যুবসাথী প্রকল্প।
অনেকেই ভাবছেন ফোনে মেসেজ আসা মানেই হয়তো সরাসরি অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকে যাবে। কিন্তু বাস্তব চিত্রটি একেবারে আলাদা। রাজ্য সরকারের যুবসাথী প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করার পর অনেকেরই মোবাইলে মেসেজ ঢুকছে। কিন্তু ব্যাঙ্ক খাতা চেক করলেই দেখা যাচ্ছে ব্যালেন্স সম্পূর্ণ শূন্য।
যাদের ট্রেজারি থেকে মেসেজ এসেছে অথচ টাকা পাননি এবং বিডিও অফিসে যেতে বলা হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে মূলত দুটি বড় সমস্যা চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রথমত, ব্যাঙ্কের নিজস্ব সমস্যা: অনেক সময় গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টে কেওয়াইসি ঠিকমতো আপডেট করা থাকে না। এই ধরনের Account এ সরকারি অনুদান অ্যাকাউন্টে ঢুকতে পারে না।
দ্বিতীয়ত, তথ্য ইনপুট করার সময় ত্রুটি: অনলাইনে একেবারে নিখুঁত তথ্য দিয়ে ফর্ম জমা দিলেও সমস্যা হতে পারে। এই সময় ভুলবশত অন্য কারও অ্যাকাউন্ট নম্বর বা কোনো ভুল সংখ্যা টাইপ হয়ে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে। ফলে টাকা পাঠানোর সময় নামের সঙ্গে অ্যাকাউন্ট নম্বর মেলে না এবং পেমেন্ট ফেইল হয়ে তা ফিরে যায়। মাঝের কোনো সংখ্যা ভুল টাইপ হয়ে থাকার কারণেই মূলত ট্রানজ্যাকশনগুলি আটকে যেতে পারে।
অ্যাকাউন্টে টাকা না এলে দ্রুত কী পদক্ষেপ করবেন?
আপনি যদি দেখেন যে মেসেজ এসেছে অথচ টাকা পাননি, তাহলে এই কাজগুলি অবিলম্বে করুন, আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টটি ঠিকঠাক কাজ করছে কি না, তা বুঝতে নিজের অ্যাকাউন্টে ইউপিআই ব্যবহার করে সামান্য কিছু টাকা (যেমন ৫ বা ১০ টাকা) পাঠিয়ে দেখুন। টাকা ঠিকমতো জমা হলে বুঝবেন ব্যাঙ্কের তরফ থেকে কোনো গোলমাল নেই। আপনার স্থানীয় ব্লক বা বিডিও (BDO) অফিসে গিয়ে সরাসরি যোগাযোগ করুন এবং প্রয়োজনীয় সংশোধন করে নিন।
