কলকাতা: বিধানসভা ভোটের মুখে যুবসাথী প্রকল্প নিয়ে তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা। এই আবহেই আবেদনকারীদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকতে শুরু করেছে। তবে ‘যুবসাথী’ প্রকল্পের আর্থিক সহায়তা নিয়ে আবেদনকারীদের মধ্যে নতুন করে বেশ কিছু প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।  

Continues below advertisement

অনেকের ক্ষেত্রে সব তথ্য ও নথি ঠিক থাকলেও ব্যাঙ্কে টাকা আসছে না। এই অনুদান পাওয়ার জন্য ব্যাঙ্কে ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (DBT) চালু রাখা বাধ্যতামূলক।  যুবসাথী প্রকল্পের নিয়মানুযায়ী, টাকা সরাসরি আবেদনকারীর সেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছবে, সেই নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আবেদনকারীর আধার কার্ড যুক্ত থাকতে হবে। 

ফর্মে দেওয়া অ্যাকাউন্টটি যেন কোনোভাবেই বন্ধ বা নিষ্ক্রিয় না হয়ে যায়। দীর্ঘ সময় ধরে লেনদেন না করলে বা কেওয়াইসি আপডেট না থাকলে ব্যাঙ্ক অনেক সময় অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। তাই টাকা ঢোকার আগে ব্যাঙ্কের শাখায় গিয়ে নিজের অ্যাকাউন্টটি সচল আছে কি না, তা যাচাই করে নিন। 

Continues below advertisement

শুধুমাত্র, গ্যাসের ভর্তুকি বা অন্যান্য সরকারি সহায়তার মতো এখানেও ডিবিটি বা আধার অ্যাড করা আবশ্যক। কিন্তু সরকারি নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, এর জন্য আলাদা করে ডিবিটি লিঙ্ক করার কোনো প্রয়োজন নেই। সরাসরি আধার সিডিং করা অ্যাকাউন্টে এই অনুদান জমা পড়বে।                                           

সাধারণ উপভোক্তারা অনেক সময়েই ‘আধার লিঙ্ক’ এবং ‘আধার সিডিং’ বা ডিবিটি-কে গুলিয়ে ফেলেন। এই দুটির মধ্যে একটি বড়সড় প্রযুক্তিগত পার্থক্য রয়েছে। একজন নাগরিক তাঁর নিজের নামে থাকা একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার যুক্ত বা লিঙ্ক করতে পারেন। এটি মূলত কেওয়াইসি (KYC) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে এবং বায়োমেট্রিক লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, আধার সিডিং বা ডিবিটি সংযুক্তিকরণ শুধুমাত্র যেকোনো একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রেই করা যায়।                                                            

পিএম কিষাণ বা এলপিজি ভর্তুকির মতো সরাসরি সরকারি সুবিধাগুলি এই ডিবিটি অ্যাকাউন্টে জমা হয়। তবে যুবসাথীর ক্ষেত্রে এই বিশেষ সিডিংয়ের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই, এমনটাই খবর।