কলকাতা: যুবসাথীর মাধ্যমে রাজ্যের বিপুল সংখ্যক যুবক ও যুবতী প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা করে আর্থিক সাহায্য পাচ্ছেন। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে বহু যোগ্য প্রার্থীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে এখনও এই অনুদান পৌঁছায়নি। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বাংলার যুব সাথী প্রকল্পের আওতায় উপভোক্তাদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া শুরু হয়েছে ৭ মার্চ ২০২৬ থেকে। প্রথমে এই সুবিধা ১ এপ্রিল থেকে চালু হওয়ার কথা থাকলেও পরে তারিখ এগিয়ে আনা হয়। স্ট্যাটাস যাচাই করা থেকে শুরু করে টাকা না পাওয়ার কারণ নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে তৈরি হয়েছে প্রবল ধোঁয়াশা।

Continues below advertisement

লোকসভা নির্বাচনের আচরণবিধি কার্যকর হওয়ার ফলে সরকারি দপ্তরের স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে সূত্রের খবর। ব্লক উন্নয়ন আধিকারিকদের (BDO) লগইন আইডি সাময়িকভাবে নিষ্ক্রিয় থাকায় তারা সরাসরি কোনো সমস্যার সমাধান করতে পারছেন না।

যাঁরা সমস্ত তথ্য সঠিকভাবে জমা দিয়েছেন কিন্তু এখনও অনুদান পাননি, তাঁদের অযথা আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। মার্চ মাস পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে এই অর্থ বিতরণ করা হবে। তাই ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করাই বর্তমান পরিস্থিতিতে একমাত্র উপায়।

Continues below advertisement

যাঁরা ইতিমধ্যেই আবেদন করেছেন, তাঁরা সরকারি ওয়েবসাইট yubasathi.wb.gov.in-এ গিয়ে সহজেই নিজেদের আবেদনের বর্তমান স্টেটাস জানতে পারবেন। যাঁরা আবেদন করেছেন, তাঁরা সহজেই নিজেদের আবেদনপত্রের অবস্থা অনলাইনে দেখতে পারবেন। এর জন্য প্রথমে সরকারি ওয়েবসাইটে যেতে হবে। সেখানে ‘আবেদনের অবস্থা দেখুন’ বা অনুরূপ অপশন নির্বাচন করতে হবে। এরপর আবেদন নম্বর বা রেজিস্টার মোবাইল নম্বর লিখে প্রদর্শিত সিকিউরিটি কোড পূরণ করে জমা দিতে হবে। তখন স্ক্রিনে আবেদনের বর্তমান অবস্থা দেখা যাবে। যেমন আবেদন গৃহীত, নথি যাচাই চলছে, অনুমোদিত অথবা বাতিল।

যাঁদের ফর্মে ভুল রয়েছে বা কোনো কারণে আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়েছে, তাঁরা ভোটের আবহ শেষ হলে পুনরায় তা সংশোধনের সুযোগ পাবেন। সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে আগামী দিনে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতোই একটি নির্দিষ্ট অনলাইন ট্র্যাকিং সিস্টেম চালু হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

বয়স ও যোগ্যতা: একুশ থেকে চল্লিশ বছর বয়সী প্রায় এক কোটি রাজ্যের স্থায়ী বাসিন্দা এই সুবিধার আওতাভুক্ত হবেন।দ্বৈত সুবিধার সুযোগ: কন্যাশ্রী, শিক্ষাশ্রী বা মেধাশ্রীর মতো অন্যান্য সরকারি বৃত্তি পেলেও এই অনুদান পেতে কোনো আইনি জটিলতা নেই।সময়সীমা: মাধ্যমিক স্তরের পর থেকে শুরু করে কর্মজীবনে প্রবেশ করা পর্যন্ত এই আর্থিক সাহায্য অব্যাহত থাকবে, যা রাজ্যের সামাজিক সুরক্ষার একটি বড় দিক।