কলকাতা: রাজ্য সরকারের যুবসাথীর আবেদনকারীদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকতে শুরু করেছে। রাজ্য সরকারের যুবসাথী প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করার পর অনেকেরই মোবাইলে মেসেজ ঢুকছে। কিন্তু অ্যাকাউন্ট চেক করতে গিয়ে বিভ্রান্ত হচ্ছেন অনেকে। অনেকক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে ফোনে মেসেজ এলেও আসছে না টাকা।
অনেকেই ভাবছেন ফোনে মেসেজ আসা মানেই হয়তো সরাসরি অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকে যাবে। এই সমস্যার পিছনে বেশ কিছু প্রযুক্তিগত ত্রুটি হচ্ছে বলেই সূত্রের খবর। যাদের ট্রেজারি থেকে মেসেজ এসেছে অথচ টাকা পাননি এবং বিডিও অফিসে যেতে বলা হয়েছে, এমনটাই খবর।
কী কী কারণে এই সমস্যা হচ্ছে বলে খবর?
অনেক সময় গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টে কেওয়াইসি ঠিকমতো আপডেট করা থাকে না। আবার কখনও অ্যাকাউন্টের লেনদেনের ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম বা সীমা বেঁধে দেওয়া থাকে। এই ধরনের কোনো বাধা থাকলে সরকারি অনুদান অ্যাকাউন্টে ঢুকতে পারে না। এছাড়া, তথ্য ইনপুট করার সময় ত্রুটি হলে এমনটা হতে পারে।
আপনি যদি দেখেন যে মেসেজ এসেছে অথচ টাকা পাননি, তাহলে এই কাজগুলি অবিলম্বে করুন- আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টটি ঠিকঠাক কাজ করছে কি না, তা বুঝতে নিজের অ্যাকাউন্টে ইউপিআই ব্যবহার করে দেখুন।
ব্যাঙ্কের সব কিছু ঠিক থাকার পরেও যদি অনুদান না আসে, এই পরিস্থিতিতে দেরি না করে দ্রুত আপনার স্থানীয় ব্লক বা বিডিও অফিসে গিয়ে সরাসরি যোগাযোগ করুন এবং প্রয়োজনীয় সংশোধন করে নিন।
ভোটের পরে নয়, ভোটের আগেই যাতে বেকার যুবকদের হাতে 'বাংলার যুব সাথী' প্রকল্পে দেড় হাজার টাকা পৌঁছে দেওয়া যায়, তার জন্য পদক্ষেপ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'যুবসাথী যে প্রোগ্রামটা আছে, যে স্কিমটা নতুন করে লঞ্চ করা হয়েছে, মাধ্যমিক পাস যারা করবে ২১ থেকে ৪০ বছর, তাদের যেমন পরিষ্কার বলা হচ্ছে যে, তারা যে কোনও স্কলারশিপে পেতে পারে। কিন্তু অন্য কোনও স্কিমে যদি তারা টাকা না পায়, তাহলে তারা দেড় হাজার টাকা করে আগামী ৫ বছর পাবে'।
