গুয়াহাটি : ইরানের সঙ্গে আমেরিকার (US vs Iran War) যুদ্ধের কারণে এমনিই এলপিজি (Liquefied Petroleum Gas) নিয়ে সঙ্কট তৈরি হয়েছে। ইরান হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) বন্ধ করে দেওয়ায় আরও চাপ বেড়েছে। কিন্তু এই সঙ্কটের মধ্যেও এলপিজি (Liquefied Petroleum Gas) বা রান্নার গ্যাস নিয়ে বিরাট এক নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী (Chief Minister of Assam) হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। তিনি বলেছেন, বিজেপি (BJP) নেতৃত্বাধীন জোট পুনরায় ক্ষমতায় এলে রাজ্যের মানুষকে বছরে ২টো করে ফ্রি এলপিজি সিলিন্ডার দেবে।

Continues below advertisement

শনিবার একটি নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, "সরকার রাজ্যের মানুষকে বিনামূল্যে দুটো করে এলপিজি সিলিন্ডার দেবে। একটি বিহুর আগে। আর অন্যটি দেওয়া হবে দুর্গাপুজোর আগে। এই দুটো সিলিন্ডারের জন্য আপনাদের কোনও টাকা দিতে হবে না। মামা (হিমন্ত বিশ্ব শর্মাকে মামা বলেও সম্বোধন করা হয়) টাকা দেবেন। এটা ভাল হবে না?"

উল্লেখ্য, আগামী ৯ এপ্রিল নির্বাচন আসামে (Assam Assembly Election 2026)। অন্যদিকে ভোট গণনা হবে মে মাসের ৪ তারিখে। এদিকে, কেন্দ্রীয় সরকার এলপিজি সিলিন্ডার নিয়ে একটা নতুন স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর বা SOP জারি করেছে। আর সেই SOP মেনে না চলে পাঁচ জন এলপিজি সরবরাহকারীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।

Continues below advertisement

কেন্দ্র ইতিমধ্যেই জানিয়েছে সম্পূর্ণ পরিস্থিতির উপর তারা নজর রাখছে। ও বর্তমান পরিস্থিতির কারণে ভারত সরকার ও পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের পরিকল্পনা অনুযায়ী তেল সংস্থাগুলোর সঙ্গে কো অপারেশনের মাধ্যমে কঠোর নজর রাখা হচ্ছে। রাজ্য স্তরে ও জেলা স্তরে এই নজরদারি চালানো হচ্ছে। অসমের সরকার ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, সে রাজ্যে ইতিমধ্যে যথেষ্ট এলপিজি মজুত রয়েছে। এ ছাড়াও রাজ্যের সাধারণ গ্রাহকরা সম্পূর্ণ বরাদ্দ পাচ্ছেন।

উল্লেখ্য, একই সময় নির্বাচন রয়েছে পশ্চিমবঙ্গেও। আগামী ২৩ এপ্রিল ও ২৯ এপ্রিল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে পশ্চিমবঙ্গেও। বর্তমানে তুঙ্গে প্রচার। প্রচারে ব্যস্ত সিপিএম, কংগ্রেস, বিজেপি ও রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলও। ইতিমধ্যেই নির্বাচনকে সামনে রেখে একাধিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। এর মধ্যে যেমন রয়েছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল। তেমনই রয়েছে বিরোধী দল বিজেপি। এ ছাড়াও নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতিশ্রুতি দেওয়ার দৌড়ে পিছিয়ে নেই হুমায়ুন কবীরের আম জনতা উন্নয়ন পার্টিও।