কলকাতা : একই দিনে রাজ্যের দুপ্রান্তে দাঁড়িয়ে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে তৃণমূল সরকারকে কার্যত সাঁড়াশি আক্রমণ করলেন মোদি-শাহ। অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কার্যত বিদ্ধ করলেন প্রতিটি বাক্যে। অন্যদিকে প্রতি জনসভা থেকেই পাল্টা জবাব দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবারও অমিত শাহের বক্তব্যে বারবার উঠে এসেছিল অনুপ্রবেশ ইস্যু। আর শনিবারও অমিত শাহ বিদ্ধ করলেন একই ইস্যুতে। 'অনুপ্রবেশকারী পছন্দ কি? অনুপ্রবেশকারীদের বের করে দেওয়া উচিত কি না? মমতা দিদি বের করবেন কি? ভাইপো বের করবে কি? বের করবে তো ভারতীয় জনতা পার্টিই করবে। আমরা পুরো বাংলা আর দেশ থেকে অনুপ্রবেশকারীদেরকে বেছে বেছে বের কাজ করব।'  

Continues below advertisement

 আপনি দিল্লিতে কাকে আশ্রয় দিয়ে রেখেছেন? : অভিষেক

ঘুষপেটিয়া বা অনুপ্রবেশকারী! পশ্চিমবঙ্গের ভোটে অন্যতম ইস্য়ু এবার এটাই। নরেন্দ্র মোদি থেকে অমিত শাহ, রাজ্যে এসে প্রতিটি জনসভা, প্রতিটি বক্তব্যে এই ইস্যুকেই হাতিয়ার করছেন দু'জনেই। আর পাল্টা দিচ্ছে তৃণমূলও। একদিকে যখন শনিবার একের পর এক সভা থেকে ক্ষুরধার আক্রমণ শানাচ্ছেন মোদি-শাহ, তখনই অভিষেক প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন সভা থেকে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন, 'সব থেকে বড় বাংলাদেশিকে আপনি দিল্লিতে আশ্রয় দিয়ে রেখেছেন। শেখ হাসিনার স্টেটাস কী? শেখ হাসিনা কি অনুপ্রবেশকারী? না শেখ হাসিনা শরণার্থী? প্রশ্ন করবেন বিজেপির নেতাদের। উত্তর আছে?

Continues below advertisement

মোদিজি তুমি কাদের ভোটে জিতেছ? : মমতা

অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তুললেন, 'সবাই যদি অনুপ্রবেশকারী হয়, তো মোদিজি তুমি কাদের ভোটে জিতেছ? এই লিস্টেই তো জিতেছ, যেখান থেকে ৯০ লক্ষ নাম বাদ দিয়েছ। তাহলে তুমি কেন পদত্য়াগ করবে না? অমিত ভাই তুমি কেন পদত্য়াগ করবে না? তোমাদের সরকার কেন পদত্য়াগ করবে না? ' 

BJP কীভাবে সীমান্ত সুরক্ষায় কী কী করা হবে ? 

অন্যদিকে , বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এলে সীমান্ত সুরক্ষায় কী কী করা হবে তার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বলেছেন, 'আমরা অনুপ্রবেশ বন্ধে দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ করব। অনেক বছর ধরে নরেন্দ্র মোদি সরকার এই চেষ্টা করছে। কিন্তু সীমান্তকে ১০০ শতাংশ সুরক্ষিত করার জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকার আমাদের জমি দিচ্ছে না। আমরা (পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায়) এলে ৪৫ দিনের মধ্যে ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের যতটা (ফেন্সিংয়ের জন্য) জমি দরকার, সেটা দেওয়ার কাজ সম্পূর্ণ করবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। নদী-নালায় পেট্রোলিংয়ের ব্যাপারেও ভারত সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থা আমরা করব।'