কলকাতা : বৃহস্পতিবার বিধানসভার মহারণের প্রথম দফা। তার আগে ফের একবার দমদম থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করলেন অমিত শাহ। একেবারে সময় বেঁধে দিয়ে বললেন, ঠিক কখন থেকে হারের মুখ দেখতে শুরু করেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের দল। বললেন, 'সময় এসে গেছে। মা-মাটি মানুষের নামে সন্ত্রাসের রাজনীতি করা মমতা ব্য়ানার্জিকে হঠানোর। উনি বাংলাকে গুন্ডাদের ভরসায় ছেড়ে দিয়েছে। তাঁর একমাত্র লক্ষ্য়, নিজের ভাইপোকে মুখ্য়মন্ত্রী বানানো। দমদমবাসী, বলো, ভাইপোকে মুখ্য়মন্ত্রী বানানো উচিত?'

Continues below advertisement

১টায় গণনা শেষ, বললেন শাহ

মাঝে আর মাত্র একটা রাত। তারপরই প্রথম দফার ভোটের লাইনে দাঁড়াবেন পশ্চিমবঙ্গের মানুষ। প্রথম দফায়, ২৩ এপ্রিল ভোটগ্রহণ হবে ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে। দ্বিতীয় দফায়, ২৯ এপ্রিল ভোট হবে বাকি ৭ জেলার ১৪২টি আসনে। আর তারপরই ৪ মে বেরোবে ভোটের ফল। সেদিন সকাল থেকে কী কী ঘটতে চলেছে। সেটাও সময় ধরে ধরে বলে দিলেন অমিত শাহ। ' ৪ মে সকালে গণনা শুরু হবে। ৮ টায় ব্য়ালট বক্স খোলা শুরু হবে। ৯টায় প্রথম রাউন্ড। ১০টায় দ্বিতীয় রাউন্ড। ১টায় গণনা শেষ। দিদি, টাটা গুড বাই। একটা লম্বা সময় পরে, বাংলায় সুশাসনের শুরু হবে। সোনার বাংলা তৈরির শুরু ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার করবে।

Continues below advertisement

পাল্টা আমডাঙার সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চ্যালেঞ্জ, 'নিয়ে এসো সাঁজোয়া গাড়ি, আমি একা থাকব ... দেখব সাঁজোয়া গাড়ির কত জোর, আর মানুষের কত জোর । আমি হিম্মত নিয়ে লড়াই করি, বিজেপির কাছে মাথা নত করি না' । তিনি আরও বলেন, 'দুরন্ত খেলা হবে, বিজেপি আর দোসররা এসেছে, আমাদের হারানো এত সহজ নয়'। 

উল্টো করে ঝুলিয়ে সোজা করব : শাহ

শুধু ভোটের ফলের পূর্বাভাস নয়, একেবারে শাসানির সুরে অমিত শাহ বলেন, ' তৃণমূলের গুন্ডাদের বলে যাচ্ছি, ২৯ তারিখ ঘর থেকে বেরোবেন না । ৪ তারিখের পর গুন্ডাদের উল্টো করে ঝুলিয়ে সোজা করব । ' নিউ ব্যারাকপুরের সভা থেকে হুঙ্কার দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। 

কে কাকে উল্টো করে টাঙায় .. পাল্টা হুঙ্কার অভিষেকের 

শাহের এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, 'বাংলার মাটিতে এসে বাঙালিকে চমকাচ্ছে, উল্টো করে ঝোলানোর হুমকি দিচ্ছে। সৎ সাহস থাকলে ৪ তারিখ বাংলায় থাকবেন, বেলা ১২ টার পর কথা হবে। কে কাকে উল্টো করে টাঙায়, বাংলার মানুষ জবাব দেবে। জয়নগরের সভা থেকে হুঙ্কার দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।