বীরভূম : কেউ পুজো করলেন, কেউ মিছিল করলেন, কেউ আবার লাঠি খেললেন। রামনবমীতে পথে নামলেন তৃণমূল-বিজেপি দুই দলের নেতারাই। ভোটের মুখে রামভক্তি কার্যত তুঙ্গে। আর এদিনই লাল মাটির জেলায় রামনবমীর মিছিল করলেন অনুব্রত মণ্ডল। পশ্চিমবঙ্গের অন্য়ান্য় প্রান্তেও রাম নবমী পালন নতুন নয়! কিন্তু ভোটের আবহে রামভক্তিতে যেন এ-ওকে টেক্কা দিতেই ব্যস্ত রইল। রাম পুজোয় রাজনীতিবিদদের অংশগ্রহণ-পথে নামা-রাম ভক্তিও তুঙ্গে উঠল। সালটা ২০১৭। সেই প্রথমবার একটি সংগঠনের নেতৃত্বে রামনবমীর দিন কলকাতায় ৬টা মিছিল বেরোয়। রাজ্যের ১৭৫টা জায়গায় ধুমধাম করে রামনবমী পালন হয় । শুরুতে রামনবমী পালনে এ রাজ্যে একতরফা ভাবে বিজেপিরই আধিপত্য় বেশি ছিল । কিন্তু গত কয়েক বছরে রাম-রাজনীতিতে টক্কর দিlতে নেমেছে তৃণমূলও।

Continues below advertisement

এদিন রাস্তায় নেমে অনুব্রত মণ্ডল বললেন, রাম তো সবার। 'রামকে সবাই ভালবাসে, আমরাও ভালবাসি। আমরা তো রাম নবমী মানি। হনুমান জয়ন্তীও হতে পারে। সে-ও তো দেবতা। কিছু আলাদা বার্তা নেই। সম্প্রীতির বার্তা। আর ২৩০ থেকে ২৩৫ বার্তা। ' বললেন অনুব্রত। 

তৃণমূল নেতা অতীন ঘোষ বললেন, 'এখানে কার্তিক মান্না, সুমন সিং আছেন আবার আনোয়ার খান আছেন। হিন্দু মুসলমান সবাই মিলে, সব ধর্মের মানুষ মিলে এই রামনবমীর ‍র‍্যালিতে অংশগ্রহণ করে।'                      

Continues below advertisement

বাংলায় রাম-ঐতিহ্য যতটুকুই থাকুক, সেই রঘু কূলপতি রাম বরাবরই ছিলেন শা ন্ত-স্নিগ্ধ। তাঁর দু পাশে সীতা, লক্ষ্মণ, সামনে ভক্ত হনুমান। ঘরোয়া মেজাজের, কোমলমতি, শান্ত, প্রজাপালক রাজা রামকেই বরাবর চিনে এসেছে বাংলা। কিন্তু গোবলয়ের মতো এখন পশ্চিমবঙ্গেও রামকে ঘিরে রাজনৈতিক যুদ্ধ।       

ভোটের মুখে, রামনবমীর মিছিলে হামলা-পাল্টা হামলার অভিযোগ ঘিরে শুক্রবার রণক্ষেত্রের চেহারা নিল মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর! রামনবমীর মিছিলে হামলা-পাল্টা হামলার অভিযোগ ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল  জঙ্গিপুর। ইটবৃষ্টি, লাঠি-বাঁশ হাতে সংঘর্ষ, ভাঙচুর থেকে অগ্নিসংযোগ, কিছুই বাদ গেল না। শেষে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মোতায়েন করা হল বিশাল পুলিশ। নামানো হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীও। জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, অশান্তি যাতে আর ছড়িয়ে পড়তে না পারে, তারজন্য মুর্শিদাবাদ জেলা জুড়েই পুলিশকে অ্যালার্ট করা হয়েছে। এই ঘটনায় রাজ্য পুলিশের DG-র কাছে রিপোর্ট চেয়েছে নির্বাচন কমিশন।