কলকাতা: দ্বিতীয় দফা নির্বাচনের আগেই সাসপেন্ড ডায়মন্ড হারবারের একাধিক পুলিশ আধিকারিক। ডায়মন্ড হারবারের একাধিক পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করে বিভাগীয় শাস্তিমূলক প্রক্রিয়া শুরুর নির্দেশ কমিশনের। সাসপেন্ড করে বিভাগীয় শাস্তিমূলক প্রক্রিয়া শুরু করতে মুখ্যসচিবকে চিঠি কমিশনের

Continues below advertisement

কারা কারা সাসপেন্ড? 

সাসপেন্ড : ডায়মন্ড হারবারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সন্দীপ গড়াইসাসপেন্ড : ডায়মন্ড হারবারের SDPO সজল মণ্ডলসাসপেন্ড : ডায়মন্ড হারবার থানার IC মৌসম চক্রবর্তীসাসপেন্ড : ফলতা থানার IC  অজয় বাগসাসপেন্ড : উস্তি থানার OC শুভেচ্ছা বাগ

Continues below advertisement

ডায়মন্ড হারবারের পুলিশ সুপার ঈশানী পালকে সতর্ক করল কমিশন। আধিকারিকদের উপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে ব্যর্থতার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।  আজকের মধ্যে নির্দেশ কার্যকর করতে হবে, জানাল নির্বাচন কমিশন। 

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে এত বড় স্তরের রদবদল রাজ্যের প্রশাসনিক ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় নির্দেশ পাঠিয়েছে কমিশন। পাশাপাশি, ২৫ এপ্রিল সকাল ১১টার মধ্যে এই সংক্রান্ত বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, এদিন আরও এক নির্দেশিকা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন।   

কী জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী? 

গণতন্ত্র রক্ষার ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত প্রয়োজনীয় ছিল। ডায়মন্ড হারবারের একাধিক পুলিশ আধিকারিককে কমিশনের সাসপেনশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রতিক্রিয়া শুভেন্দু অধিকারীর।

উল্লেখ্য, প্রথম দফা ভোটের আগে ফের রাজ্য পুলিশে রদবদল করল নির্বাচন কমিশন। ভোটের দায়িত্ব থেকে সরানোর পর এবার, ৮১ জন পুলিশ ইনস্পেকটরকে অন্য জেলায় পোস্টিং করা হল। ভোটের কাজে যাতে এই অফিসারেরা কোনও ভাবেই যুক্ত না থাকেন, সে ব্যাপারে কড়া নির্দেশিকা দিল নির্বাচন কমিশন। সেইসঙ্গে, ৪৯ জন সাব ইনস্পেকটরকেও জেলা থেকে সরিয়ে অন্যত্র পোস্টিং করা হল।

রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে, শুক্রবার, সমস্ত পুলিশ সুপার ও পুলিশ কমিশনারদের নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ অবজার্ভাররাও।

কমিশন সূত্রে খবর, এদিনের এই বৈঠকে, কমিশনের তরফে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগে সংশ্লিষ্ট এলাকার দাগি অপরাধী, যাদের বিরুদ্ধে ক্রিমিনাল রেকর্ড রয়েছে এবং যাঁরা ভোটে অশান্তি বা বিঘ্ন ঘটাতে পারেন, তাঁদের চিহ্নিত করে জেল বা লকআপে রাখতে হবে। দাগি আসামীদের ক্ষেত্রেও কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কমিশন সূত্রে খবর, শুক্রবারের এই বৈঠকে সমস্ত থানার OC এবং SDPO-দের উদ্দেশে বলা হয়েছে, এই ধরনের অপরাধীদের তালিকা তৈরি করে রাখতে হবে। তাদের থানায় ডেকে সতর্ক করা হবে। তারপরও কেউ নির্দেশিকা না মানলে, তাঁদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়ে লকআপে রাখার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।