রাজীব চৌধুরী, মুর্শিদাবাদ: দোরগোড়ায় নির্বাচন (Assembly Election)। তার আগেই দলীয় কোন্দল ও ক্ষোভের জেরে বড়সড় ভাঙন ধরল তৃণমূল (TMC News) শিবিরে। এবার তৃণমূল দল ত্যাগ করলেন তৃণমূলের জলঙ্গি বিধানসভার বিদায়ী বিধায়ক আব্দুর রাজ্জাক (Abdur Razzak)। মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) জলঙ্গি বিধানসভার বিদায়ী বিধায়ক আব্দুর রাজ্জাক বিধানসভা নির্বাচনের আট দিন আগেই দল ত্যাগ করলেন।                                                      

Continues below advertisement

তিনি তৃণমূলের ২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের টিকিট না পেয়ে ঘরে বসে ছিলেন। আর তার পরেই বুধবার সন্ধ্যায় তার দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সাংবাদিকদের সামনেই তৃণমূল ত্যাগ করলেন।

সূত্রের খবর, বেশ কিছুদিন ধরেই তাঁকে নিয়ে জল্পনা চলছিল। ভোটের আগে দলত্যাগ করে বেশ কিছুটা অস্বস্তি বাড়িয়ে দিলেন জলঙ্গির বিদায়ী বিধায়ক। বুধবার রাতে জলঙ্গির কাঁটাবাড়িতে তাঁর বিধায়ক কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে তিনি তৃণমূলের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা জানান। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথোপকথনে তাঁর বিস্ফোরক দাবি, 'জলঙ্গি, ডোমকল এবং রানিনগর - এই তিন আসনেই হারবে তৃণমূল।' 

Continues below advertisement

এদিকে, নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগ তুলে, আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাল তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যের CEO -কে দেওয়া ওই চিঠিতে হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে খুনের হুমকি, খুনের পর দেহ পুঁতে দেওয়ার হুমকি সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ এনেছে তৃণমূল।

রাজনৈতিক অশান্তি মুর্শিদাবাদে? 

আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক বক্তৃতার অভিযোগ তুলে কমিশনকে তার ভিডিও ক্লিপিংসের লিঙ্কও দিয়েছে তৃণমূল। শাসক শিবিরের তরফে দেওয়া চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তাঁর আপ্ত সহায়ক সুমিত রায় সহ তৃণমূলের একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে লাগাতার অবমাননাকর মন্তব্য করে চলেছেন হুমায়ুন কবীর। চিঠিতে অভিযোগে বলা হয়েছে, তৃণমূলের বিভিন্ন নেতা, সদস্য এবং সমর্থকদের অপরাধমূলকভাবে ভয় দেখিয়ে ভোটে মর্যাদাপূর্ণ লড়াইয়ের পরিবেশটাই নষ্ট করতে চাইছেন হুমায়ুন কবীর। ভোটারদের মানসিকতার উপর বিরূপ প্রভাব ফেলার চেষ্টা চালাচ্ছেন তিনি।