কোচবিহার : ফের একটা বিধানসভা ভোট। ফের শিরোনামে শীতলকুচি। ২০২১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের চতুর্থ দফায় (১০ এপ্রিল, ২০২১) কোচবিহার জেলার শীতলকুচিতে গুলিচালনার ঘটনা ঘিরে উত্তপ্ত হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ। আর এবারও প্রথম দফার ভোটের আগের রাত থেকেই উত্তপ্ত কোচবিহারের শীতলকুচি।
শীতলকুচিতে আক্রান্ত বিজেপি নেতা
শীতলকুচিতে আক্রান্ত হলেন বিজেপির কিষাণ মোর্চার নেতা। বিজেপির অভিযোগ, ভোটের আগের দিন বিজেপি নেতা গোলকগঞ্জে বুধবার রাতে ওষুধ নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। অভিযোগ, আগের থেকেই তাঁর বাড়ির সামনে তৃণমূলের লোকজন জমায়েত করেছিলেন। তিনি পৌঁছতেই আচমকা তাঁর ওপরে হামলা চালানো হয়। বেধড়ক মারধরের পাশাপাশি ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয় তাঁর বাইকে। আক্রান্ত অবস্থায় তাঁকে মাথাভাঙ্গা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। যদিও মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। খবর পেয়ে হাসপাতালে যান বিজেপির শীতলখুচি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী সাবিত্রী বর্মণ।
এই ঘটনায় অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকেই। যদিও সরাসরি অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। তাঁদের দাবি, প্রচারের আলোয় আসতে নাটক করছেন বিজেপি নেতা।
ডোমকলে অশান্তি
শুধু শীতলকুচিই নয় ভোটের আগের রাতে রাজ্যে অনেক জায়গাতেই বিচ্ছিন্ন অশান্তি হয়েছিল। রাতে মুর্শিদাবাদের ডোমকলের রায়পুর গ্রামে, সিপিএম কর্মী মহবুল আনসারির বাড়িতে হামলার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। অভিযোগ, সিপিএম কর্মীর ছেলে রাকিবুল আনসারির হাতে ধারালো অস্ত্রের কোপ মারা হয়েছে। আক্রান্ত অবস্থায় বাবা-ছেলেকে ভর্তি করা হয় ডোমকল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। সেখান থেকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে ছেলে রাকিবুলকে। বাবা-ছেলে দুজনেই ২১৭ নম্বর বুথের ভোটার। এই ঘটনায় আল আমিন মণ্ডল নামে এক তৃণমূল কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। হাসপাতালে ভর্তি আছেন তিনিও।
বোমা ছোড়ার অভিযোগ
ভোটের আগের রাতে নওদার তৃণমূল প্রার্থী সাহিনা মুমতাজকে লক্ষ্য করে বোমা ছোড়ার অভিযোগ উঠল হুমায়ুন কবীরের দল আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিরুদ্ধে। বুধবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ এক কর্মীর বাড়ি থেকে ফিরছিলেন সাহিনা মুমতাজ। অভিযোগ, সেইসময়, শিবনগর প্রাথমিক স্কুলের বুথের কাছে তাঁকে লক্ষ্য করে বোমা ছোড়া হয়। অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচেন তিনি। এই প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে হুমায়ুন কবীর বলেন, আমার লোককে কেউ পাথর ছুড়লে তাকে কি রসগোল্লা ছুড়বে? একটা ঢিল ছুড়লে দুটো পাটকেল খেতে হবে।
