অবশেষে প্রকাশিত হল দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট। কত জনের নাম এই তালিকায় রয়েছে, বা কত জনের নাম এই তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, সেই তথ্য এখনও জানানও হয়নি কমিশনের তরফে। তবে, এটাও ঠিক আগে বলা হয়েছিল নিষ্পত্তি হয়েছে ৩৭ লক্ষ ভোটারের নামের। আর সেই ৩৭ লক্ষের মধ্যে সব নামই কি সংযোজিত হয়েছে এই তালিকায়? সেই প্রশ্ন কিন্তু থাকছে।

Continues below advertisement

প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় ১০ লক্ষ নাম আপলোড করা গিয়েছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত দ্বিতীয় তালিকায় কত নাম আপলোড হয়েছে, কমিশন এখনও সেই তথ্য জানায়নি। কিন্তু যাঁদের নাম এই তালিকা থেকে ডিলিট হল, তাঁরা কী করবেন? কমিশন বলছে, ট্রাইব্যুনাল ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গিয়েছে। তবে সেই ট্রাইব্যুনাল কোথায় বসবে সেটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আর সেই রিপোর্ট আজকেই সাবমিট করা হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে।

যতক্ষণ না কোনও ট্রাইব্যুনাল কোথাও বসছে বা তার কোনও অফিস হচ্ছে, তার আগের পর্যন্ত অনলাইনে কীভাবে আবেদন করতে হবে, সেটাও কমিশন জানাবে। এ ছাড়াও কোনও ডিইও অফিসে যদি গিয়ে আবেদন করতে হয় সেইটও কিন্তু কমিশন জানাবে। কিন্তু যতক্ষণ না ট্রাইব্যুনাল কোথাও বসছে, ততক্ষণ কমিশনের পক্ষে জানানও সম্ভব নয় যে যাঁদের নাম ডিলিট হয়েছে তাঁরা কোথায় গিয়ে আবেদন করতে পারবেন। ট্রাইব্যুনাল বসলে, অনলাইনে বা অফলাইনে কীভাবে আবেদন করতে হবে, সেটা জানিয়ে দেবে কমিশন।

Continues below advertisement

যদি ৩৭ লক্ষের নিষ্পত্তি হয়ে থাকে, তাহলে কত লক্ষের নাম আপলোড হয়েছে? কমিশন বলছে, বিকাল ৫টা পর্যন্ত ই-সাইন হয়ে যতটা নাম এসেছে, ততটাই আপলোড করা হবে। উলেখ্য, এখনও এই এসআইআরের জন্য ৭০৫ জন জুডিশিয়াল অফিসার কাজ করছেন। ফলে, ৩৭ লক্ষের নিষ্পত্তি হলেও সবটাই যে আপলোড করা হয়েছে, এমনটা কখনওই হয়।

প্রথম সাপ্লিমেন্টারি লিস্টের ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছিল প্রায় ৩০ লক্ষের মতো নামের নিষ্পত্তি হয়েছিল। কিন্তু তখন আপলোড হয়েছিল প্রায় ১০ লক্ষের মতো নাম। যদিও তালিকা প্রকাশের প্রায় ২ দিন পর সেই তথ্য দিয়েছিল কমিশন। এবারে কী হল, সেই বিষয়ে এখনও কিছু জানায়নি কমিশন। তবে একটা প্রশ্ন থেকেই যায়। কমিশন হাইকোর্টকে চিঠি দিয়েছে। তবে কি এবার থেকে রোজই একটা করে সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট বেরোবে? যদিও এখনও এই নিয়ে কিছুই জানায়নি কমিশন। এই বিষয়ে হাইকোর্টের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। হাইকোর্ট কী বলে, নজর এখনও সেদিকেই।