কলকাতা: নরেন্দ্র মোদির ব্রিগেডের সভার পরই প্রথম প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করতে পারে বিজেপি। রবি অথবা সোমবারের মধ্যেই ১৫০ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে পারে গেরুয়া শিবির। বর্তমানে যাঁরা বিধায়ক রয়েছেন, তাঁদের অধিকাংশই টিকিট পেতে পারেন বলে দলীয় সূত্রে খবর। তবে নব্যের পরিবর্তে আদি কর্মীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। (West Bengal BJP Candidate List)
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন কবে, দিন ক্ষণ জানা যায়নি এখনও পর্যন্ত। তবে সব ঠিক থাকলে আগামী সপ্তাহের শুরুতেই ১৫০ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিতে পারে বিজেপি। শনিবার কলকাতার ব্রিগেডে সভা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। আর তার পরই, রবি অথবা সোমবার দফায় ১৫০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিতে পারে গেরুয়া শিবির। (BJP Candidate List in WB)
বৃহস্পতিবারই রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির প্রধান মোদি। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেপি নাড্ডা, অমিত শাহ, রাজনাথ সিংহ, বিপ্লব দেব, সুনীল বনসল। রাজ্য থেকে বৈঠকে ছিলেন বিজেপি-র সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, রাজ্যের সাংগঠনিক সচিব অমিতাভ ভট্টাচার্য। সেখানেই এ নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে খবর। রাজ্য বিজেপি সূত্রে খবর, প্রথম দফায় মোটামুটি অর্ধেক আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দেওয়া হবে।
আগামী কালই প্রার্থিতালিকায় চূড়ান্ত সিলমোহর পড়ে যেতে পারে। দলীয় সূত্রে খবর, যাঁরা এই মুহূর্তে বিধায়ক রয়েছেন, তাঁদের সিংহভাগকেই প্রার্থী করা হবে। দলের আদি কর্মী, যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে দলের জন্য কাজ করছেন, টিকিট দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। যাঁরা নতুন মুখ, অর্থাৎ যাঁরা হালফিলে দলে এসেছেন, তাঁরা দৌড়ে পিছিয়ে রয়েছেন।
এদিন বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগে শুভেন্দু বলেন, "তৃণমূলকে হারানোই পরিকল্পনা। প্রার্থিতালিকায় এবারে নীচে পদ্ম, উপরে নরেন্দ্র মোদিজী। তৃণমূলরকে হারাতে হবে। প্রাক্তন করতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।" এবারে বিজেপি-র প্রার্থিতালিকায় কোনও চমক থাকবে কি? তা যদিও খোলসা করেননি শুভেন্দু। আপাতত মোদির ব্রিগেডকেই সামনে রাখতে চাইছেন তাঁরা। তবে ২০২৬-এর নির্বাচনেই পশ্চিমবঙ্গ থেকে তৃণমূলের বিসর্জন ঘটবে বলে জানান তিনি। ব্রিগেডের আগে বার্তা দিয়েছেন মোদিও। জানিয়েছেন, একাধিক উন্নয়নমূলক কাজের সূচনা করবেন তিনি। যদিও তা নিয়ে কটাক্ষ করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এভাবে পাশাপাশি, রাজনৈতিক এবং সরকারি সভা করা যায় কি না, প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
