কলকাতা : বিধানসভা ভোটের ( West Bengal Election 2026 ) মুখে তৃণমূলে যোগ দিলেন নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর নাতির ছেলে চন্দ্র বসু (grandnephew of Subhas Chandra Bose)।        

Continues below advertisement

আগে তিনি ছিলেন বিজেপির সদস্য। এমনকী সামলেছেন রাজ্য বিজেপির সহ সভাপতির দায়িত্বও। কিন্তু গত বিধানসভা ভোটের পর থেকেই দলের রাজ্য নেতৃত্ব নিয়েই বারবার নানা প্রশ্ন তিলেছিলেন তিনি।   এরপর ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে বিজেপির প্রাথমিক সদস্যপদ ছেড়ে দেন    চন্দ্র বসু। অভিযোগ করেন, 'বিজেপি বিভাজনের রাজনীতি করে, নেতাজির আদর্শ মানে না'। এরপরই জল্পনা প্রগাঢ় হচ্ছিল, তাহলে কি এবার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর পরিবারের এই সদস্য এবার তৃণমূলের পথে?        

সুভাষচন্দ্র বসুর উত্তরসূরীর হাতে তৃণমূলের পতাকা             

Continues below advertisement

রবিবার তৃণমূল ভবনে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর উত্তরসূরীর হাতে দলের পতাকা তুলে দেন তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ ও বিদায়ী শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটে ভবানীপুরে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী হন চন্দ্র বসু। ১০ বছর পর আরেক বিধানসভা ভোটের আগে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের দলে যোগ দেন তিনি।                  

বিজেপির টিকিটে ভোটে লড়েছিলেন চন্দ্র

২০১৯ সালে দক্ষিণ কলকাতা লোকসভা আসন থেকে বিজেপির টিকিটে ভোটে লড়েন তিনি। কোনও বারই অবশ্য জয়ের মুখ দেখেননি তিনি। তার পর থেকে অবশ্য নানা বিষয়ে বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়তে থাকে। অবশেষে বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূলে যোগ দিলেন চন্দ্র বসু।           

বিধানসভা ভোটের মুখে রাজ্যের শাসক দলে যোগ দিয়ে চন্দ্র বসুর দাবি, তাঁর বিজেপিতে যোগদান ভুল ছিল। তিনি বলেন, 'ওরা ভারতের সংবিধানের বিরোধিতা করে।'  

জীবনের ‘ঐতিহাসিক ভুল’

আগে একাধিকবার বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা গিয়েছে চন্দ্র বসুকে। সম্প্রতি তিনি সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে জানান, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত তাঁর জীবনের ‘ঐতিহাসিক ভুল’ ছিল। সেই পোস্টে তিনি স্পষ্টভাবে লেখেন, কোনও রাজনৈতিক দলের লক্ষ্য যদি নির্বাচনে জেতার জন্য ভোটারদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা হয়, তবে তা তাঁর পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। বিজেপি ছাড়ার পর থেকে একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রীর কাজেরও প্রশংসা করতে শোনা গিয়েছে তাঁকে।