কলকাতা : ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে কড়া অবস্থান নির্বাচন কমিশনের । ভোট মিটতেই রাজ্যের একাধিক জায়গায় হিংসার অভিযোগ সামনে আসতেই কড়া বার্তা দিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কোনওভাবেই আইনশৃঙ্খলা ভাঙার চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না।
কমিশনের বড় বার্তা
যারা হিংসায় উস্কানি দিচ্ছে বা ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত, এমন লোকেদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। শুধু তাই নয়, এমন ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে প্রশাসনকে। নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতিতে যাতে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয়, সে দিকেই জোর দেওয়া হচ্ছে।
প্রশাসনের সর্বস্তরে সতর্কতা
ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব, ডিজিপি, কলকাতার পুলিশ কমিশনার-সহ শীর্ষ প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ডিরেক্টর জেনারেলদেরও পরিস্থিতি মোকাবিলায় সক্রিয় থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলাশাসক (DM) এবং পুলিশ সুপারদের নিয়মিত টহল দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে দ্রুত নিয়ন্ত্রণ আনা যায়।
শান্তি বজায় রাখার বার্তা
নির্বাচন কমিশনের তরফে স্পষ্ট বার্তা—গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সবার দায়িত্ব। কোনও রকম হিংসা বা অশান্তি সৃষ্টি করলে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
কলকাতা পুলিশের বার্তা
কলকাতার পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, রেজাল্ট পরবর্তী একাধিক জায়গায় অশান্তির ঘটনায় ৮০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কলকাতার বিভিন্ন জায়গা থেকে উদ্ধার হয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র। এছাড়াও বিজয় উৎসবে ব্যস্ত নেতা-কর্মীদের সতর্ক করেছেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার। অজয় নন্দ স্পষ্ট জানিয়েছেন, JCB নিয়ে কোনও বিজয় মিছিল করা যাবে না। যদি হয়, JCB-র মালিক যাঁরা, তাঁদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্য়বস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি, পুলিশের উদ্দেশ্যেও কড়া বার্তা দিয়েছেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার। বলেছেন, পুলিশকে বলে দেওয়া হয়েছে, পুলিশ অফিসার যদি কোনওরকম কর্তব্যে গাফিলতি পাওয়া যাবে, কেউ আছেন অথচ ব্যবস্থা নিচ্ছেন না, ওদের বিরুদ্ধেও কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটা আগেও বলেছি, আবার বলছি।
