বিশ্বজিৎ দাস, পশ্চিম মেদিনীপুর: ভোটের আগে এলপিজি সঙ্কটকেই হাতিয়ার করেছে তৃণমূল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, , প্রত্যেকেই কেন্দ্রকে বিদ্ধ করার চেষ্টা করছেন এলপিজি-ইস্যুতে। ভোট মিটে গেলেই নাকি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়ে ২ হাজার টাকা করবে মোদি সরকার, ভোট প্রচারে গিয়ে এমনটা দাবি করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে জোর তরজা। এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় ( Mamata Banerjee ) স্পষ্ট বলে দিয়েছেন, হলদিয়ায় উৎপাদন হওয়া গ্যাস সিলিন্ডার যেন বাইরে না যায়। নির্বাচনী প্রচারের মঞ্চ থেকে লকডাউনের আশঙ্কার কথাও শুনিয়েছেন তিনি। এসব শুনে পাল্টা নিশানা করেছে বিজেপিও। 

Continues below advertisement

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাল্টা আক্রমণ করে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh ) বলেন, 'মমতা ব্য়ানার্জি চিন্তায় থাকেন সবসময়। দেশের চিন্তা মোদিজিকে করতে দিন না। আপনি পশ্চিমবঙ্গের চিন্তা করুন। ১৫ বছরে পশ্চিমবঙ্গে কিছু করতে পারলেন না। জল দিতে পারলেন না। আপনি গ্য়াস আর তেল নিয়ে ভাবছেন কেন? ওটা মোদিজি দেখছেন। চিন্তা করবেন না। আমি বাংলার লোককে বলছি, মমতা ব্য়ানার্জির কথায় ভয় পাবেন না। ঘাবড়াবেন না।' 

ইতিমধ্যেই অবশ্য রান্নার গ্যাসের ( LPG )সিলিন্ডারের দাম বাড়ানো হয়েছে । বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দামও দামও বেড়েছে । এই আবহেই  নির্বাচনী প্রচারের মঞ্চ থেকে বড় দাবি করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। 'রোজ এদের মধ্যে দিল্লিতে বৈঠক হচ্ছে যে আজকে গ্যাসের দাম আবার বাড়াবো। এরা সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে বাংলার নির্বাচন অবধি পেট্রোল, ডিজেল আর রান্নার গ্যাসের দাম বাড়াবে না। আমার কথা লিখে রাখুন, যেদিনকে নির্বাচন হবে, ২৯ তারিখ নির্বাচন, ৩০ তারিখ রান্নার গ্যাসের দাম ২ হাজার টাকা হবে। আর পেট্রোলের দাম ২০০ টাকা হবে। আর ডিজেলের দাম ২০০ টাকা হবে।' এখন কার দাবি সঠিক, উত্তর মিলবে ভোটের পরই। 

Continues below advertisement

বিধানসভা ভোটের ( West Bengal Assembly Election 2026 ) প্রচারে প্রতিদিনই চা চক্রে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথাবার্তা বলছেন বিজেপি নেতা। এরই মধ্যে  এক চা-চক্রে দিলীপ ঘোষ বলেন, 'এখানকার গুন্ডা মাফিয়ার বিরুদ্ধে আমি লড়াই করেছি। আবার লড়বো, যতদিন থাকবো। এবার লড়তে হবে না ভেতরে ঢোকাবো। কারণ ক্ষমতায় আসবে বিজেপি। পশ্চিমবাংলায় পরিবর্তন হবে। যে পুলিশ আজকে মাফিয়া, গুন্ডার সঙ্গে বসে চা খাচ্ছে। এই চোর নেতাদের চামচাগিরি করছে। সেই পুলিশ অন্যরূপে উত্তরপ্রদেশের স্টাইলে এনকাউন্টার করবে। কীরকম ভেতরে ঢোকাবে দেখে নেবেন। চার তারিখের পরে মে মাসে সব পাল্টে যাবে।'