চেতলা:বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘন্ট প্রকাশের পর থেকেই সবার নজর ভবানীপুরের দিকে। ২৯৪ টি কেন্দ্রের মধ্যে হাইভোল্টেজ কেন্দ্র হল এই ভবানীপুর। কারণ, আবারও মুখোমুখি দুই হেভিওয়েট। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম শুভেন্দু অধিকারী। ভোট প্রচারের কাজে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যস্ত থাকার কারণে নিজের কেন্দ্রর দায়িত্ব দেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে। মুখ্যমন্ত্রীর সমর্থনে শনিবার সকাল থেকে চেতালয় জনসংযোগ শুরু করেন ফিরহাদ। প্রচার চলাকালীন ফিরহাদ হাকিমকে সামনে পেয়ে কিছু বিষয় নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন এলাকার বাসিন্দারা। শুরু হয় তুলুম উত্তেজনা।
তৃণমূলের প্রচার ঘিরে মুখ্যমন্ত্রীর বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরের চেতলায় উত্তেজনা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে শনিবার সকাল থেকে চেতালয় প্রচার শুরু করেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। প্রচার চলাকালীন ফিরহাদ হাকিমকে সামনে পেয়ে জল নিকাশি নিয়ে অভিযোগ জানান স্থানীয়রা। অভিযোগ, ফিরহাদ হাকিম চলে যাওয়ার পরই, অভিযোগকারীদের ওপরে কার্যত চড়াও হন স্থানীয় তৃণমূল নেতারা। জোর করে ঘরে ঢোকারও চেষ্টাও করা হয় বলে অভিযোগ। আর তারপরই উত্তেজনা ছড়ায় গোটা এলাকায়।
অভিযোগ ওঠে, শাসানি দেওয়ার পাশাপাশি 'বাংলার বাড়ি' প্রকল্প থেকে নাম কেটে দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে অভিযোগকারীদের। হরেকৃষ্ণ দে সহ বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতার দিকে এই অভিযোগ তোলেন স্থানীয় মহিলারা। অভিযোগকারীদের মধ্যে একজন মহিলা জানান, 'আমি বলেছিলাম দাদা, আমার বাড়িতে দীর্ঘদিন নোংরা একটা জল জমে থাকে। আমাদের সমস্যা এখানে। এটুকুই বলা হয়েছে, আর কিছু নয়। তবে তারপর অনেকে বলছে, কেন বলছ মিডিয়াতে। তৃণমূলের লোকেরা বলেছে। আমরা তো কোনও খারাপ কথা বলিনি। ' এলাকার আর একজন মহিলা জানান, জমা জল যে যায়না এখান থেকে, এটাই একটা সমস্যা। কিন্তু পরিষ্কার করা হয়। কিন্তু একটা আসল সমস্যা আছে এখানে, সেটাই জানান হচ্ছে। কারোর বিরুদ্ধে কিছু বলা হয়নি। '
তবে সেই এলাকারই কিছু বাসিন্দাদের দাবি, ' সব সুযোগ সুবিধা এরা নিয়েছে, আমাদের এলাকায় কোনও অসুবিধা নেই। আমাদের ববি দা যা করে দিয়েছে, জল, কল, আলো সবকিছু করেছে। এরা হল সব বিজেপির লোক। দাদাকে, অর্থাৎ ফিরহাদ হাকিমকে বদনাম করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
যদিও তৃণমূলের তরফ থেকে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। হরেকৃষ্ণ দে-র দাবি, শাসানি নয়, শুধুমাত্র কথা বলতে অভিযোগকারীদের কাছে যাওয়া হয়েছিল। জোর করে ঘরে ঢোকার চেষ্টাও কেউ করেনি।
