অর্ণব মুখোপাধ্যায়, কলকাতা: কখনও বাড়ি বাড়ি গিয়ে দলীয় প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা, কখনও চায়ের কাপ হাতেই জনসংযোগ। ভোটযুদ্ধের প্রচারে কোনও খামতি রাখতে চাইছেন না কাশীপুর-বেলগাছিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রীতেশ তিওয়ারি।

Continues below advertisement

এও এক কামব্য়াক! বছর চারেক আগে দলবিরোধী মন্তব্যের জন্য বিজেপি থেকে সাসপেন্ড হয়েছিলেন। এবার সেই রীতেশ তিওয়ারিই বিজেপির ভোট-যুদ্ধের এক সৈনিক। কাশীপুর-বেলগাছিয়া কেন্দ্রে অতীন ঘোষের বিরুদ্ধে বিজেপির প্রার্থী তিনি। রীতেশ তিওয়ারির বেড়ে ওঠা এই কাশীপুর বেলগাছিয়া এলাকাতেই। সেই অর্থে ময়দান তাঁর চেনা। কাশীপুর-বেলগাছিয়ার বিজেপি প্রার্থী রীতেশ তিওয়ারি বলছেন, 'অতীন ঘোষকে কোনও ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়। আমার লড়াই তাঁর দুর্নীতিগ্রস্ত দলের বিরুদ্ধে। তবে কেউ যদি এখানে সংখ্যালঘু পলিটিক্স করে, আমি তাহলে সংখ্যাগুরুর পলিটিক্স করব। আমি তো ঘরেরই ছেলে। নতুন করে আর কী বলার আছে।'

এই কাশীপুর-বেলগাছিয়া বিধানসভা কেন্দ্রেরই মধ্যে পড়ে আর জি কর হাসপাতাল। যেখানে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের ঘটনা গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। সম্প্রতি দু'জনের মর্মান্তিক মৃত্য়ুতে ফের প্রশ্নের মুখে আর জি কর হাসপাতালের পরিকাঠামো। কিন্তু, ভোটে কি তা ফ্য়াক্টর হবে? ২০১৪-তে চৌরঙ্গি বিধানসভার উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী হয়েছিলেন রীতেশ তিওয়ারি। ২০১৬র বিধানসভা ভোটে রীতেশ প্রার্থী হন তৃণমূলের নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। কোনওবারই জিততে পারেননি। এবার কী হবে? ২৯ এপ্রিল, দ্বিতীয় দফায় কাশীপুর-বেলগাছিয়া কেন্দ্রের ভোট। আর এই কেন্দ্রের ভোটাররা কাকে বেছে নিলেন, সেটা জানা যাবে ৪ মে।

Continues below advertisement

অন্যদিকে, আগামীকাল রামনবমী। সেই উপলক্ষ্য়ে হাওড়ায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, কাল অঞ্জনি পুত্র সেনা এবং বিশ্ব হিন্দু পরিষদের ডাকে জি টি রোড দুটি শোভাযাত্রা হবে। তার আগে সরজমিনে খতিয়ে দেখেন হাওড়া সিটি পুলিশের কমিশনার অখিলেশ চতুর্বেদী সহ উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। শিবপুর কাজী পাড়া থেকে সন্ধ্যবাজার পর্যন্ত সংবেদনশীল এলাকায় কিভাবে নিরাপত্তা বাড়ানো যায় তা খতিয়ে দেখেন আধিকারিকরা। উল্লেখ্য, ওই এলাকায়  ২০২২ ও ২০২৩ সালে রামনবমী শোভাযাত্রা ঘিরে বড়সড় অশান্তি এবং গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। পরে সেই ঘটনার তদন্তভার নেয় এনআইএ। এবার যাতে শান্তিপূর্ণ ভাবে শোভাযাত্রা হয় তার জন্য সবরকম ব্যবস্থা নিচ্ছে হাওড়া সিটি পুলিশ।

অন্যদিকে, শীতলকুচিতে নাকা চেকিংয়ের সময় উদ্ধার বিপুল পরিমাণ নগদ। কোচবিহারের সিতাই-শীতলকুচি সীমান্তে নাকা চেকিং করছিল শীতলকুচি থানার পুলিশ, সেই সময়ে একটি গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১৭ লক্ষ টাকা নগদ করা হয়। পুলিশ সূত্রে দাবি, যথার্থ কারণ না দেখাতে পারায় বাজেয়াপ্ত করা হয় টাকা।