বিধাননগর : কাতলা মাছ পর মোচা নিয়ে ভোট প্রচার করলেন বিধাননগরের বিজেপি প্রার্থী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। কয়েকদিন আগেই কাতলা মাছ হাতে নিয়ে সল্টলেকের বাজারে প্রচারে নেমেছিলেন বিধানগর বিধানসভা কেন্দ্রের এই বিজেপি প্রার্থী। এবার তাঁর হাতে দেখা গেল মোচা। 

Continues below advertisement

মোচা নিয়ে বিধাননগরে এই ব্লকের রাস্তায় ভোট প্রচারে বেরিয়ে পড়লেন বিজেপি প্রার্থী এবং মোচার অংশ ছাড়াতে ছাড়াতে বললেন বিভিন্ন দুর্নীতির কথা। শিক্ষা দুর্নীতি, স্বাস্থ্য দুর্নীতি, পুরনো নিয়োগ দুর্নীতি - সব ক্ষেত্রেই দুর্নীতির কথা নিজের প্রচারে বলেন বিজেপি প্রার্থী। পাশাপাশি বিধাননগরেরে এই বিজেপি প্রার্থী এও বলেন যে, মোচার ভেতরের অংশ যেভাবে গুনে শেষ করা যায় না, তেমনি তৃণমূলের দুর্নীতিও হাতে গুনে শেষ হবে না। 

শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের কথায়, 'মোচার ভিতরে যত ফুল আছে গুনে শেষ করা যায় না। সেইরকমই তৃণমূলের দুর্নীতি। তৃণমূল যত দুর্নীতি করেছে তার যদি প্রতীক হয় কিছু সেটা এই মোচা। অগুনতি দুর্নীতি। কত দুর্নীতি হয়েছে, তার প্রতীক ব্যবহার করতে হলে বাজারে ঢুকে মনে হল মোচাই ঠিক। তাই প্রচারে এটাই ব্যবহার করলাম' 

Continues below advertisement

এর আগে কাতলা মাছ নিয়ে প্রচার করেছিলেন বিজেপির এই প্রার্থী। তিনি বলেন, 'তৃণমূল বলেছে বিজেপিকে ভোট দেবেন না কারণ তারা এলে মাছ-ভাত খাওয়া বন্ধ করে দেবে। মাংস খাওয়া বন্ধ করে দেবে। পশ্চিমবঙ্গকে নিরামিষ বানাবে। বাঙালির সংস্কৃতির সঙ্গে মাছ ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। মাথায় রাখতে হবে আমরা মাছ ছাড়া কোনও শুভ কাজ শুরু করি না। বিয়ের তত্ত্বেও মাছ পাঠানো হয়। মাছ নিয়ে প্রচার করছি বিরোধীদের কাছে বার্তা পাঠানোর জন্য। বার্তার তত্ত্ব যাচ্ছে মাছ দিয়ে। আমরা যদি আসি, আমরা বলে দিলাম মাছ-ভাত তো বন্ধ হবেই না। এখন তৃণমূল যেভাবে সরকার চালাচ্ছে তাতে ১-আধ পিস মাছ জুটবে। বিজেপি এলে ৩-৪ পিস, ডিবল ডবল মাছ খাবেন। উনি বলেছিলেন ডবল ডবল চাকরি হবে, ডবল ডবল শিল্প হবে। এক-আধ পিস মাছ জোটাতে পারছেন না। তিনি আবার বড় বড় কথা বলেছিলেন। ১৫ বছরে যা করে দেখাতে পারেনি, বিজেপি ৫ বছরে করে দেখাবে।' 

ভোট আসছে, জমিয়ে চলছে প্রচার। নিজ নিজ বিধানসভা কেন্দ্রে প্রচার চালাচ্ছেন প্রার্থীরা। আর তাতেই রয়েছে অভিনবত্ব। এবার পশ্চিবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন ২ দফায়। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফা। সেদিন ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ হবে। দ্বিতীয় দফায় ভোট ২৯ এপ্রিল। সেদিন ১৪২ আসনে ভোটগ্রহণ করা হবে। আর ৪ মে হবে ভোটগণনা।