পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আর ১ মাসও বাকি নেই। বেশিরভাগ দলই তাদের প্রার্থী তালিকা ও ইস্তেহার ঘোষণা করে ফেলেছে। নির্বাচন কমিশনও তাদের প্রস্তুতি নিচ্ছে। রাজ্যে ইতিমধ্যেই একাধিক প্যান টিল্ট জুম ক্যামেরা লাগানো গাড়ি টহল দেওয়া শুরু করে দিয়েছে। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানিয়ে দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে দেশের যে কোনও নির্বাচনেই এবার থেকে ১০০ শতাংশ ওয়েব কাস্টিং হবে। অর্থাৎ, সিসিটিভির নজরদারি চলবে বুথের বাইরে ও ভিতরে।

Continues below advertisement

এই সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে যে ফুটেজ উঠবে তা দেখা যাবে একাধিক কন্ট্রোল রুম থেকে। জানা গিয়েছে ত্রিস্তরীয় ভাবে এই নজরদারি করা হবে। প্রথম স্তরে থাকবেন রিটার্নিং অফিসাররা। এই ক্ষেত্রে সাব-ডিভিশনাল অফিসার বা অ্যাডিশনাল ডিএম থাকবেন দায়িত্বে। এর পরের স্তরে থাকবেন জেলার নির্বাচনী আধিকারিক বা DEO। আর সব শেষে থাকবেন CEO। প্রতিটা অফিসেই কন্ট্রোল রুম তৈরির কাজ চলছে দ্রুত গতিতে। এ ছাড়াও কন্ট্রোল রুমে সিসিটিভির ভিডিও রেকর্ডিং করা হবে। এই ভিডিও নির্বাচনের দিন রাতে স্ক্রুটিনিও করা হবে।

অবজারভার সুব্রত গুপ্ত বলেন, মোট ৭২টা স্ক্রিন বসতে চলেছে CEO অফিসে। এক-একটা স্ক্রিনে একসঙ্গে ১২ থেকে ১৬টা বুথে নজর রাখা যাবে। প্রতি স্ক্রিনের সামনে ২ জন করে মাইক্রো অবজারভার থাকবেন। একজন স্ক্রিনে নজর রাখবেন ও অন্যজন নোট করবেন যে কোথায় কেমন নির্বাচন চলছে, বুঝিয়ে দিলেন সুব্রত গুপ্ত।

জেনারেল অবজার্ভার সুব্রত গুপ্ত আরও জানিয়েছেন, ভোটের ২ বা ৩ দিন আগে থেকেই পোলিং স্টেশনে প্রায় ২ লক্ষের বেশি ক্যামেরা লাগানো হবে। আর রাজ্যের একাধিক কন্ট্রোল রুম থাকবে। ৬৬০টা স্ক্রিন বিভিন্ন জায়গায় লাগানো হবে। কন্ট্রোল রুমে বসে প্রায় ২ হাজার ৩৫২ জন মাইক্রো অবজার্ভার পুরো রাজ্যে ক্যামেরার মাধ্যমে নজর রাখবেন। উল্লেখ্য, এই নির্বাচনে মাইক্রো অবজার্ভাররা বুথে বুথে থাকবেন না। বদলে এই কন্ট্রোল রুমে বসে তাঁর নজর রাখবেন স্ক্রিনের দিকে।