ইতিমধ্যেই ঘোষণা হয়ে গিয়েছে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ। প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিয়েছে একাধিক রাজনৈতিক দল। ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিয়েছে তৃণমূল। দুই দফায় প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে বিজেপিও। একই ভাবে দুই দফায় প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে বামেরও। ইতিমধ্যে বেশ কিছু বিধানসভা ক্ষেত্রের প্রার্থী তালিকা জানিয়ে দিয়েছে হুমায়ুন কবীরের নবগঠিত রাজনৈতিক দলও। আর এবার কোন কোন বিধানসভায় প্রার্থী দেবে তা ঘোষণা করল নৌশাদ সিদ্দিকির আইএসএফ বা অল ইন্ডিয়া সেক্যুলার ফ্রন্ট।

উত্তরে মালদা থেকে দক্ষিণে মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগণা পর্যন্ত একাধিক আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে আইএসএফ। এমনকি শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধেও নন্দীগ্রামে প্রার্থী দিয়েছে নৌশাদের দল। উত্তরে মালদার মোথাবাড়ি ও সুজাপুরে প্রার্থী দেবে বলে ঘোষণা করেছে ISF। মুর্শিদাবাদের সামসেরগঞ্জ, রঘুনাথগঞ্জ, ভগবানগোলা ও হরিহরপাড়ায় প্রার্থী দেবে বলে জানিয়েছে নৌশাদ সিদ্দিকির দল।

এ ছাড়াও নদিয়ার নাকাশীপাড়া বিধানসভা, উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়া, অশোকনগর, আমডাঙ্গা, মধ্যমগ্রাম, দেগঙ্গা, হাড়োয়া, মিনাখাঁ এবং বসিরহাট উত্তর বিধানসভাতেও প্রার্থী দেবে আইএসএফ। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তী, কুলপি, মন্দিরবাজার , ক্যানিং পশ্চিম, ক্যানিং পূর্ব, মগরাহাট পশ্চিম ও ভাঙড় বিধানসভাতেও প্রার্থী দেবে নৌশাদের দল। এ ছাড়াও হাওড়ার উলুবেড়িয়া পূর্ব বিধানসভা ও জগৎবল্লভপুর বিধানসভাতেও প্রার্থী দেবে তারা।

এ ছাড়াও হুগলি, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূমেও প্রার্থী দেবে আইএসএফ। হুগলির হরিপাল ও খানাকুল বিধানসভায় প্রার্থী দেবে নৌশাদের দল। এ ছাড়াও পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া পশ্চিম, মহিষাদল ও নন্দীগ্রাম বিধানসভায় প্রার্থী দেবে আইএসএফ। অর্থাৎ শুভেন্দু অধিকারীর বিধানসভা কেন্দ্রেও লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি।

পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনী বিধানসভা ও পশ্চিম বর্ধমানের বারাবনি বিধানসভাতেও প্রার্থী দেবে আইএসএফ। এ ছাড়াও তার প্রার্থী দেবে অনুব্রত গড় বলে পরিচিত বীরভূমেও। সেখানের বোলপুর বিধানসভা এবং মুরারই বিধানসভাতেও প্রার্থী দেবে নৌশাদ সিদ্দিকির দল।

উল্লেখ্য, ২০ মার্চ নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করল তৃণমূল। মোট ৬টি ভাষায় ইস্তেহার প্রকাশ করল রাজ্যের শাসকদল। এই ইস্তেহারের পোশাকি নাম "বাংলার জন্য দিদির ১০ প্রতিজ্ঞা"। এদিন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ঈদের পর থেকেই নির্বাচনের প্রচার শুরু করবে তৃণমূল।