কলকাতা : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খুব প্রিয় ও কাছের মানুষ কুণাল ঘোষ বড় ব্যবধানে বিজেপিকে হারালেন। তৃণমূলের টিকিটে বেলেঘাটা বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। জীবনে প্রথমবার ভোট ময়দানের যুদ্ধে নামেন। আর প্রথমবারেই তিনি সফল। কয়েক হাজার ভোটে বিজেপির পার্থ চৌধুরীকে হারালেন তিনি। আরও পড়ুন -শিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রে জয় ছিনিয়ে নিলেন রুদ্রনীল ঘোষ, কত ভোটে ? আর কে কে কোন কেন্দ্র থেকে জিতলেন?
কান্দিমুর্শিদাবাদের কান্দিতে জয়ী বিজেপির গার্গী দাস ঘোষ। প্রাক্তন মন্ত্রী ছায়া ঘোষের কন্যা তিনি। প্রথমবার ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন গার্গী দাস ঘোষ। আর প্রথমবারেই বাজিমাত করেছেন তিনি। গার্গী দাস ঘোষের জয়ের পর উচ্ছ্বসিত বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। সকলেই বলছেন এটা মুর্শিদাবাদে বিজেপির জয়ের সূচনা। শিবপুর বিধানসভা TMC-র রানা চট্টোপাধ্যায়কে ১৬০৫৮ ভোটে হারালেন রুদ্রনীল ঘোষ। হাওড়ার শিবপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হন তিনি। জয়ের এই দিনটি দেখার জন্য দেড় মাস ধরে প্রচার, দরজায় দরজায় ঘুরেছেন তিনি। অবশেষে তার ফল পেলেন তিনি। মানুষ ভরসা করেছেন তাঁর উপর। ডাক্তার রানা চট্টোপাধ্যায়কে ১৬০৫৮ ভোটে পরাজিত করেন তিনি। ৮৯,৬১৫ ভোট পেয়েছেন রুদ্রনীল। ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তিনি বিজেপির হয়ে শিবপুর কেন্দ্র থেকে লড়াই করেন। টালিগঞ্জ বিধানসভাভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর এবার টালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিপুল ভোটে হারলেন অরূপ বিশ্বাস। ৬০১৩ ভোটে জয় ছিনিয়ে নিলেন বিজেপির পাপিয়া অধিকারী। উল্লেখ্য, ২০২৬ -এ পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে ২ দফায়। ২৩ এপ্রিলে হয়েছে প্রথম দফা। এই দফায় ১৬টি জেলায় ১৫২টি আসনে ভোট গ্রহণ হয়েছিল। আর ২৯ এপ্রিল হয়েছে দ্বিতীয় দফা। এই দফায় ৭ জেলার ১৪২টি আসনে ভোট গ্রহণ হয়েছে। প্রথম দফায় ভোট হয়েছে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম - এই ১৬ জেলায়। দ্বিতীয় দফায় ভোট হয়েছে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান - এই ৭ জেলায়। ফলতায় নতুন করে ভোট হবে ২১ মে। ফল ঘোষণা ২৪ মে। অতএব আজ ৪ মে পশ্চিমবঙ্গের মোট ২৯৩টি বিধানসভা কেন্দ্রের ফল ঘোষণা হয়েছে।
