Mamata Banerjee: প্রশাসনের শীর্ষ স্তরে ব্যাপক রদবদল, ফের জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। 'এই ধরণের পদক্ষেপ জরুরি অবস্থা ও কেন্দ্রীয় শাসনের দিকে ঠেলে দিতে পারে', আক্রমণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। 'রাজ্যকে না জানিয়েই ১৫ জন শীর্ষ পুলিশ আধিকারিককে কীভাবে অন্য রাজ্যে পর্যবেক্ষক নিয়োগ ?', প্রশ্ন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। 'পশ্চিমবঙ্গে ভোটের কাজে অযোগ্য, অথচ ভিন রাজ্য কীভাবে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক ?' প্রশ্ন মুখ্যমন্ত্রীর। 'রাজ্যকে প্রশাসনিক অস্থিরতার দিকে ঠেলে দিতে সচেতন প্রয়াস', অভিযোগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। 'একতরফা ও হঠকারী সিদ্ধান্ত গণতন্ত্রের পক্ষে স্বাস্থ্যকর নয়', আক্রমণ মমতার। 'ভোটের সময় নির্বাচিত সরকারকে এভাবে নিষ্ক্রিয় করা যায় না', চিঠিতে উল্লেখ মুখ্যমন্ত্রীর।       

Continues below advertisement

এর আগেও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই চিঠিতে বলা হয়েছিল 'কোনও কারণ ছাড়াই আমলা ও পুলিশ শীর্ষ আধিকারিকদের বদলি করা হয়েছে। ভোটের মুখে এইভাবে যুক্তি ছাড়াই বদলি। বিধি লঙ্ঘনের কোনও অভিযোগ না থাকলেও তাঁদেরকে বদলি।' কার্যত আক্রমণ শানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 'আগে যখন সরানো হয়েছিল তখন রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা করে করা হয়েছিল। এখন রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই কাজ হচ্ছে। ভোটের দিন ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বদলি... আমি হতবাক। এই বদলি খামখেয়ালিপনার প্রকাশ। আমি অনুরোধ করব, ভবিষ্যতে এই ধরনের সিদ্ধান্ত থেকে বিরত থাকুন', নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করেন মুখ্যমন্ত্রী। 

ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকেই পুলিশ ও প্রশাসন, দুই স্তরেই, বলা ভাল শীর্ষ স্তরে একাধিক রদবদল হয়েছে। শুরুটা হয়েছিল মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবকে দিয়ে। মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় আনা হয় দুষ্মন্ত নারিয়াল। এর পাশাপাশি স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশ প্রসাদ মিনাকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় আনা হয় সঙ্ঘমিত্রা ঘোষকে। পুলিশের শীর্ষ স্তরেও একাধিক রদবদল হয়েছে। কলকাতার পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকারকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। রাজ্য পুলিশের DG,  রাজ্যের DG আইনশৃঙ্খলা-সহ পুলিশের একাধিক শীর্ষকর্তাকেও সরানো হয়েছে ভোটের আগে।    

Continues below advertisement

এবার পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন হবে ২ দফায়। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফা। ১৫২ আসনে সেদিন ভোটগ্রহণ হবে। দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ ২৯ এপ্রিল, ১৪২ আসনে ভোটগ্রহণ হবে দ্বিতীয় দফায়। ভোটগণনা ৪ মে। বিজেপি এবং সিপিএম আংশিক ভাবে, আর তৃণমূল প্রায় পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকা ইতিমধ্যেই প্রকাশ করেছে। কংগ্রেস এখনও প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেনি।