কলকাতা:বিধানসভা নির্বাচনের আগে ফের বিজেপি-র হয়ে মঞ্চে মিঠুন চক্রবর্তী। আর সেখান থেকেই তীব্র আক্রমণ করলেন রাজ্যের মুখ্য়মন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধন, অর্থাৎ SIR-এ লক্ষ লক্ষ মানুষের নাম বাদ যাওয়া নিয়ে মমতা যে ধর্না দেন, তা নিয়ে কটাক্ষ ছুড়ে দেন মিঠুন। জানান, সকলের জন্য নয়, বিশেষ কিছু মানুষের জন্যই ধর্নায় বসেছিলেন মমতা। (Mithun Chakraborty at Brigade)

Continues below advertisement

ব্রিগেডে মোদির সভা ঘিরে সকাল থেকেই উত্তাপ বাড়ছিল শহর কলকাতার। সেই আবহেই ব্রিগেডের সভায় উপস্থিত হন মিঠুন। গোড়াতেই মমতাকে নিশানা করেন তিনি। বক্তৃতা করতে উঠে প্রথমে বেশ কিছু ক্ষণ হাসতে থাকেন মিঠুন। এর পর নিজেই বলেন, "কিছু না বলে হাসছি কেন? হাসছি কারণ এই রাজ্যের প্রধান বলেছেন, আমরা ৫০০ টাকা দিয়ে লোক এনেছি। আমরা ৫০০ টাকা দিয়ে লোক আনি। আর ১৫০০ টাকা দিয়েও লোক জমে না আপনার। তাই এই ভাতা, ওই ভাতা, ওই শ্রী দিয়ে লোককে টুপি পরিয়ে এখানে আনেন।" (Modi Brigade Rally)

নাম না করেই SIR-বিরোধী ধর্না নিয়ে মমতাকে তীব্র আক্রমণ করেন মিঠুন। বলেন, "এই যে ধর্না দিয়েছেন, কিসের জন্য, তা পরে জানলাম। একটা লোকের ৩৮৯টা ছেলেমেয়ে। আর একজনের ৩১০টা। উনি ধর্না দিয়েছেন যে, '৩৮৯টা ৪০০ করিসনি কেন'? সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, এটা অসম্ভব, অবৈজ্ঞানিক। ৩৮৯টা ছেলেমেয়ে। আমি সেই বাবার সঙ্গে দেখা করতে চাই। পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে বলতে চাই, 'দাদা, আপনি কী খান? দয়া করে বলুন কী খান'। একজনের ৩১০টা ছেলেমেয়ে। তাদের জন্য লড়ছি উনি। ভাববেন না আপনাদের জন্য লড়ছেন। ৩১০টা কে ৩২৫ হয়নি, তার জন্য লড়ছেন। একটা মৌজায় ৬০০ জন ভোটার। যার ৩৮৯টা ছেলেমেয়ে, একাই তো হারিয়ে দেবে আমাদের!"

Continues below advertisement

মিঠুন আরও বলেন, "উনি বলেন, 'এক মিনিটে তোদের কেটে শেষ করে দেব'। খুব হাসি পাচ্ছে আমার। একবার পুলিশকে নিরপেক্ষ হতে বলুন না! ৩০ সেকেন্ডে খেলা শেষ করে দেব। আধ মিনিটে খেলা খতম। সামনা সামনি আসুন। দেখে নিন বিজেপি-র কী শক্তি। আদিবাসী ভাইবোনদের বলছি, আমরা যদি আসি, আপনাদের সব কষ্ট দূর হবে। শিক্ষক নেই স্কুলে...আমরা সব কষ্ট দবর করে দেব। আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলছি। আলুচাষিরা কষ্ট পাচ্ছেন। কথা দিচ্ছি, যেদিন সরকারে আসব, প্রথম আপনাদের জন্য কাজ করব। আমি বাতেলা দিই না। সোজা কথা বলি।"