Narendra Modi Rally Live Updates: 'গোটা তৃণমূল নিয়োগ দুর্নীতিতে যুক্ত, উপর থেকে নীচ পর্যন্ত', কোচবিহারে বললেন মোদি
Narendra Modi Cooch Behar Rally Live Updates: ভোট ঘোষণার পর প্রথম রাজ্য়ে প্রধানমন্ত্রী।

প্রেক্ষাপট
ভোট ঘোষণার পর প্রথম রাজ্য়ে আসছেন প্রধানমন্ত্রী। উত্তরবঙ্গ থেকে বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচার শুরু । আজ কোচবিহার রাসমেলা ময়দানে 'বিজয় সংকল্প সভা'। (Narendra Modi Cooch Behar Rally Live Updates)বিজয় সংকল্প...More
তৃণমূলের ১৫ বছরের শাসনে বাংলার সীমান্তবর্তী এলাকায় জনবিন্যাস বদলে গিয়েছে। অনুপ্রবেশকারীদের সমর্থন পায় তৃণমূল। সিন্ডিকেটে ভর্তি করে নেয়। বাংলার মানুষের নিরাপত্তা বিপদের মুখে। তাই অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে বিতাড়ন করার কাজ করছে কেন্দ্র। বড় বড় দেশও অনুপ্রবেশকারী তাড়াচ্ছে। কিন্তু বাংলার তৃণমূল সরকার অনুপ্রবেশকারীদের আড়াল করছে।
তৃণমূলের ১৫ বছরের শাসনে বাংলার সীমান্তবর্তী এলাকায় জনবিন্যাস বদলে গিয়েছে। অনুপ্রবেশকারীদের সমর্থন পায় তৃণমূল। সিন্ডিকেটে ভর্তি করে নেয়। বাংলার মানুষের নিরাপত্তা বিপদের মুখে। তাই অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে বিতাড়ন করার কাজ করছে কেন্দ্র। বড় বড় দেশও অনুপ্রবেশকারী তাড়াচ্ছে। কিন্তু বাংলার তৃণমূল সরকার অনুপ্রবেশকারীদের আড়াল করছে। তাই SIR-এর বিরোধিতা করছে, যাতে অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত না করা যায়। CAA আটকানোর হুমকি দিচ্ছে তৃণমূল। অর্থাৎ শরণার্থী হিন্দুদের নাগরিকত্ব ছিনিয়ে নিতে চাইছে। অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের ওই নাগরিকত্ব দেবে ওরা। কারণ অনুপ্রবেশকারীদের ভোটব্যাঙ্ক মনে করে তৃণমূল।
অনেক হয়েছে, বাংলার পরিচয় বদলে দেওয়ার চেষ্টা করছে যারা, তাদের বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলা। এবার বাংলার পরিচয় বদলানোর চেষ্টা যে করছে, তার বিদায় হবে। এবারের নির্বাচন আপনাদের ছেলেমেয়ের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করার। তাই বাংলার ভবিষ্যতের কথা ভেবে ভোট দিন, রোজগার, নিরাপত্তা, অধিকারের জন্য বিজেপি প্রার্থীকে ভোট দিন। পরিবর্তনে সিলমোহর দিন। নির্বাচন কমিশনের উপর পূর্ণ আস্থা আছে। এবার বাংলায় নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে, এবার নির্ভীক নির্বাচন হবে, পরিবর্তনের নির্বাচন হবে: মোদি।
তৃণমূলের ১৫ বছরের শাসনে বাংলার সীমান্তবর্তী এলাকায় জনবিন্যাস বদলে গিয়েছে। অনুপ্রবেশকারীদের সমর্থন পায় তৃণমূল। সিন্ডিকেটে ভর্তি করে নেয়। বাংলার মানুষের নিরাপ্ততা বিপদের মুখে। তাই অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে বিতাড়ন করার কাজ করছে কেন্দ্র। বড় বড় দেশও অনুপ্রবেশকারী তাড়াচ্ছে। কিন্তু বাংলার তৃণমূল সরকার অনুপ্রবেশকারীদের আড়াল করছে। তাই SIR-এর বিরোধিতা করছে, যাতে অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত না করা যায়। CAA আটকানোর হুমকি দিচ্ছে তৃণমূল। অর্থাৎ শরণার্থী হিন্দুদের নাগরিকত্ব ছিনিয়ে নিতে চাইছে। অবৈঝ অনুপ্রবেশকারীদের ওই নাগরিকত্ব দেবে ওরা। কারণ অনুপ্রবেশকারীদের ভোটব্যাঙ্ক মনে করে তৃণমূল। তুষ্টিকরণের খেলায় বাংলার মহান পরিচয় পাল্টে যাচ্ছে। আপনারা দেখেছেন, তৃণমূল ঘোষণাপত্র প্রকাশ করেছে, যার নাম বাংলায় রাখেনি। বরং ইস্তেহার বলা হচ্ছে। ভেবে দেখুন কেমন ভাবে বাংলার পরিচয় বদলে দিচ্ছে। ইস্তেহার শব্দটির ব্যবহার কী জন্য হয়েছিল বাংলায়? ১৯০৫ সালে সাম্প্রদায়িক শক্তি বাংলায় লাল ইস্তেহার জারি করেছিল। তার পর হিন্দুদের প্রাণ সংহার করা হয়েছিল। তৃণমূল সেই কথা মনে করাতে চাইছে। ভুলবেন না, এই নির্মম সরকার প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছে যে, একটি বিশেষ ধর্মের লোক হিন্দুদের থাকা কঠিন করে দেবে। তুষ্টিকরণের এমন নোংরা খেলা বাংলার সম্মান ও সংস্কৃতিকে মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র করছে: মোদি।
৪ মে-র পর বাংলায় ডাবল ইঞ্জিন সরকার। কোচবিহার এবং উত্তরবঙ্গের আর অন্যায় হবে না। এটা মোদির গ্যারান্টি: মোদি।
কোচবিহারের আলুচাষিদের দুঃখ বুঝি আমরা। কষ্ট করে ফসল ফলান আপানারা। কিন্তু বিক্রির সংয় দাম পান না। কারণ তৃণমূল সরকার আপনাদের কথা ভাবে না। এখানে কোল্ড স্টোরেজ নেই যথেষ্ট। ফসল পচতে শুরু করে। লোকসান হয় চাষিদের। কৃষকদের ভাল জীবন দিতে পারে শুধু বিজেপিই: মোদি।
আগে কলা,সংস্কৃতি, ব্যবসা সবে এগিয়ে ছিল বাংলা। তার পর বাংলার উপর গ্রহণ নেমে এল। প্রথমে কংগ্রেসের গ্রহণ, তার পর বামেদের গ্রহণ, এখন তৃণমূলের গ্রহণ। এর ফলে বাংলার উন্নয়নের চমক ফিকে হতে লাগল। আগে দেশের বাকিদের চেয়ে বেশি রোজগার করতেন বাংলার মানুষ। বর্তমানে বাংলার রোজগার কমে গিয়েছে। অন্য রাজ্যগুলি এগিয়ে যাচ্ছে, বাংলাকে পিছনে ঠেলে দিয়েছে তৃণমূল। দেশের সব প্রদেশে নতুন নতুন ব্যবসা খুলছে। বাংলা থেকে কারখানা বাইরে চলে যাচ্ছে। আগে বাংলায় রোজগার করতে আসতেন লোকজন। নির্মম সরকার সেই বাংলাকে পলায়নকেন্দ্র বানিয়ে দিয়েছে। এখানে সরকারি চাকরির উপরও তৃণমূলের সিন্ডিকেটের কবজা। বাংলার যুবসমাজ জানে, এই সরকার কত বড় নিয়োগ দুর্নীতি করেছে। কারা শামিল ছিল! তৃণমূলের নিজের মন্ত্রী, বিধায়ক। উপর থেকে নীচে পর্যন্ত গোটা তৃণমূল দুর্নীতিতে যুক্ত ছিল। কাটমানি, কমিশন আর দুর্নীতি করে যুবসমাজের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছেলেখেলা করেছে। তৃণমূল গোটা বাংলার ক্ষতি তো করেইছে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে উত্তরবঙ্গের। নির্বাচন এলেই মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেয় তৃণমূল। নানা ঘোষণা করে। কিন্তু পরিস্থিতি পাল্টায়নি: মোদি।
যে সব রাজ্য জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে ভাল কাজ করেছে, তাদের আসন নিয়ে কোনও ক্ষতির মুখে পড়তে হবে না। সকলে লাভবান হবে। সকলের অধিকার সুরক্ষিত থাকবে। সংসদে এর উপর সিলমোহর আদায় করে নিতে চাই, যাতে মহিলাদের জন্য অতিরিক্ত আসন পাওয়া যায়। এটা গোটা দেশের কাজ। কেবল একটি দলের কাজ নয়। তাই সব দলকে নিয়ে আলোচনা হয়। আবারও বলব, আসুন মহিলাদের অধিকারের কাজে সকলে একজোট হয়ে কাজ করি। বাংলার মা-বোনেদের বলব, আপনারাও সব রাজনৈতিক দলের উপর চাপ দিন: মোদি।
বাংলায় শক্তির আরাধনা হয়। বাংলার সব মা-বোনেদের বলব, বিজেপি আপনাদের সম্মান, আপনাদের সমৃদ্ধির জন্য মাঠে নেমেছে। বিজেপি সরকার এলে মহিলারা সশক্তিকরণের রাস্তা প্রশস্ত হবে। আমাদের ট্র্যাক রেকর্ড আছে। তাই মা-বোনেদের ফার্স্ট চয়েস বিজেপি। কেন্দ্রের বিজেপি সরকার মা-বোনেদের সব সুবিধা দিয়েছে। ৩ কোটি মহিলাকে লাখপতি বানিয়েছে। আমাদের সরকার লোকসভা এবং বিধানসভায় মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ দেওয়ার আইন এনেছে। ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন থেকেই এর ফায়দা মিলবে: মোদি।
এত বছর ধরে বাংলার মানুষের টাকা লুঠ করা হয়েছে। প্রত্যেক দুর্নীতিগ্রস্তকে লুঠের টাকা ফেরত দিতে হবে মানুষকে। এখানের নির্মম সরকার বাংলার মাটিতে প্রতিদিন গণতন্ত্রের হত্যা করছে। এই নির্মম সরকার কোনও সাংবিধানিক সংস্থাকে গুরুত্ব দেয় না। দু'তিন আগেই দেখেছেন, গোটা দেশ দেখেছে, মালদায় কী ভাবে বিচারকদের বন্দি করে রাখা হয়েছিল। ভেবে দেখুন, এটা কেমন সরকার। কেমন ব্যবস্থা এটা। যেখানে বিচারক এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়া সুরক্ষিত নয়। বাংলার মানুষকে এরা কী করে নিরাপত্তা দেবে? মালদায় যা হল, তা তৃণমূলের জঙ্গলরাজের প্রমাণ: মোদি
একদিকে বেকারত্ব, পলায়ন, অন্য দিকে, সুশাসন, রোজগার এবং আত্মনির্ভর বাংলার ভরসা। আপনাদের আর একটি কথা বলব, ভোটদানের দিন তৃণমূলের গুন্ডারা যতই ভয় দেখাক, আইনের উপর ভরসা রাখুন। নির্বাচনে বাংলা থেকে আতঙ্ক পালিয়ে যাবে। ভরসা জেগে উঠবে। আমি কথা দিচ্ছি, নির্বাচনের পর এদের পাপের হিসেব হবে। ধরে ধরে হিসেব নেওয়া হবে। ৪ মের পর আইন নিজের কাজ করবে। যত বড়ই গুন্ডা হোক না কেন, এবার ন্যায় হবে : মোদি।
এবার বাংলায় একদিকে তৃণমূলের আতঙ্ক, অন্য দিকে বিজেপি-র ভরসা আছে। তৃণমূলের কাটমানি ও দুর্নীর ভয়, অন্য দিকে বিজেপির উন্নয়ন, একদিকে অনুপ্রবেশকারীদের পাকাপাকি বসানোর ভয়, অন্য দিকে অনুপ্রবেশ বন্ধ করে সকলকে বাংলার বাইরে পাঠানোর ভরসা। একদিকে, ক্রমবর্ধমান জনবিন্যাসের দরুণ নিজের মাটিতে স্বাধীনতা খর্ব হওয়ার আশঙ্কা, অন্য দিকে নিজের মাটিতে মাথা উঁচু করে বাঁচার ভরসা জোগানো বিজেপি: মোদি।
কিছু দিন আগে রাজধানী কলকাতার ব্রিগেড থেকে বাংলায় পরিবর্তন মহা অভিযানের সূচনা করেছিলাম। ওই ঐতিহাসিক ছবি, জনসমুদ্র, মানুষের উৎসাহ, উন্মাদনা দেখে গোটা তৃণমূল সিন্ডিকেট ঘাবড়ে গিয়েছে। আর আজ দেখতে পাচ্ছি, ব্রিগেডের বিউগল কোচবিহারে সিলমোহর পড়ে গেল। তৃণমূলের পাপের ঘড়া পূর্ণ। বাংলায় একটাই রব, পাল্টানো দরকার, তাই বিজেপি সরকার: মোদি।
'১৫০০-এর লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বয়, ৩০০০-এর অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার চাই, বলছেন বাংলার মানুষ', কোচবিহারে মোদির সভায় শমীক ভট্টাচার্য।
কোচবিহারে জনসভায় যোগ দিতে যাওয়ার পথে বিশেষ পোস্ট নরেন্দ্র মোদির। সভাস্থলের ছবি দিয়ে লিখলেন, 'এই ছবিগুলোই বলে দিচ্ছে এবার পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির পক্ষে জোরালো হাওয়া বইছে... মানুষ তৃণমূলকে প্রত্যাখ্যান করতে চলেছে'!
দলের কর্মীদের মনোবল ও পশ্চিমবঙ্গের ভোটারদের মনোবল চাঙ্গা করতে এই সভা। সারা পশ্চিমবঙ্গ দেখবে কীভাবে ভোট করতে হয় ও জিততে হয়। প্রতিক্রিয়া বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষের।
ভোট ঘোষণার পর প্রথম রাজ্য়ে প্রধানমন্ত্রী। উত্তরবঙ্গ থেকে বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচার শুরু। আজ কোচবিহার রাসমেলা ময়দানে 'বিজয় সংকল্প সভা।
- Home
- নির্বাচন ২০২৬
- Narendra Modi Rally Live Updates: 'গোটা তৃণমূল নিয়োগ দুর্নীতিতে যুক্ত, উপর থেকে নীচ পর্যন্ত', কোচবিহারে বললেন মোদি