কলকাতা: ফলতায় EVM-এ কারচুপির অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তর রিপোর্টে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সূত্রের খবর, রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভোটের দিন সকালে ফলতার একাধিক বুথের ক্যামেরাই বন্ধ করা দেওয়া হয়েছিল। দুপুর একটা নাগাদ 'টেপ রিভুমড' বলে তথ্য দিয়ে জানান প্রিসাইডিং অফিসার। তার মধ্যে ৫৮% ভোট পড়ে গেছিল ফলতায়। তবে, ফলতায় পুনর্নির্বাচন হবে কিনা তা নিয়ে শুক্রবার রাত পর্যন্ত কিছু জানায়নি নির্বাচন কমিশন। 

Continues below advertisement

কী ঘটেছিল ফলতায়?

মগরাহাট পশ্চিম ও ডায়মন্ডহারবারের মোট ১৫টি বুথে শনিবার পুনর্নির্বাচন। কিন্তু ফলতায় কী হবে? তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি। কারণ, মগরাহাট পশ্চিম ও ডায়মন্ডহারবারের ক্ষেত্রে পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দিলেও, শুক্রবার রাত পর্যন্ত ফলতা নিয়ে কোনও সিদ্ধান্তের কথা জানায়নি নির্বাচন কমিশন। এই ফলতাতেই, অস্বচ্ছ ভোট এবং EVM-এ কারচুপির অভিযোগে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের দিনই এখানকার, ২৩টা বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি করেছিল বিজেপি।

Continues below advertisement

ফলতা নিয়ে বিজেপির অভিযোগের পরই তৎপর হন খোদ মুখ্য় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। তাঁর নির্দেশেই স্ক্রুটিনির কাজ তদারকির জন্য় বৃহস্পতিবার সোজা ডায়মন্ড হারবারে পৌঁছে যান নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত। আর শুক্রবার তাঁর রিপোর্টেই উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সূত্রের দাবি, বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তর রিপোর্ট বলা হয়েছে, ভোটের দিন সকালে ফলতার একাধিক বুথের ক্যামেরাই বন্ধ করা দেওয়া হয়েছিল। নেটওয়ার্কের কারণে সেই তথ্য আসেনি নির্বাচন কমিশনের কন্ট্রোল রুমে। দুপুর একটা নাগাদ 'টেপ রিভুমড' বলে তথ্য দিয়ে জানান প্রিসাইডিং অফিসার। তার মধ্যে ৫৮% ভোট পড়ে গেছিল ফলতায়।

দাবি-পাল্টা দাবি, তারপরেও ফলতা নিয়ে কিছুই জানাল না কমিশন

শুক্রবারও ফলতায় পুনর্নির্বাচনের দাবি জানান শুভেন্দু অধিকারী। ভোটের দিন EVM-এ টেপ লাগিয়ে রাখার এই ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন বিজেপির IT সেলের প্রধান অমিত মালব্য। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতার একাধিক বুথে ইভিএম কারচুপি-সহ নানা অভিযোগ জমা পড়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, ফলতার বেশ কয়েকটি বুথে ১০০ শতাংশ ভোট পড়েছে।এরই মধ্যে বেশ কয়েকটি বুথে, EVM-এ টেপ লাগানো থাকায়, দুপুর একটা পর্যন্ত ভোটাদের কাছে একটি মাত্র দল ছাড়া অন্য কাউকে ভোট দেওয়ার কোনও উপায় ছিল না। তাই পুনর্নির্বাচন করতে হবে বলে ECI-কে রিপোর্ট দিয়েছেন বিশেষ পর্যবেক্ষক। সব মিলিয়ে ফলতা নিয়ে নির্বাচন কমিশন কী সিদ্ধান্ত নেয় সেদিকেই এখন সবার নজর।

আরও পড়ুন: Election 2026: কেউ গেলেন মাছের বাজারে, দেখলেন ফুটবল ম্যাচ! কেউ ক্লাবে জমালেন আড্ডা! গণনার আগে প্রার্থীদের সারাদিন