উত্তর ২৪ পরগণা, মধ্যমগ্রাম : শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ককে গুলি করে খুন। সূত্রের খবর গাড়ি থামিয়ে গুলি করা হয় এবং খুন করা হয় চন্দ্রনাথ রথ-কে। গাড়িতে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক ও গাড়ির চালক। পেটে, বুকে ও মাথায় গুলি করে খুন করা হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে, চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আহত হন তাঁর গাড়ি চালকও। ভর্তি করা হয় হাঁসপাতালে।
এই ঘটনা নিয়ে বড় বার্তা দেন কৌস্তভ বাগচী। তিনি জানান, ''শুভেন্দু অধিকারীর PA গাড়ি নিয়ে যখন মধ্যমগ্রামের দোহারিয়া বলে জায়গাটায় ছিলেন, তখন তাঁকে ফলো করা হয় গুলি করা হয়। গুলি সোজা বুকে মারা হয়। এই ঘটনা ঘটিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কাউকে ছাড়া হবে না। আমরা এতদিন বাংলায় ভদ্রতা, শৃঙ্খলার রাজনীতি করে এসেছি। এই ঘটনার পরিনাম তৃণমূলকে ভুগতে হবে। চন্দ্র দা-কে যেভাবে খুন করা হলো, আমার কিন্তু ছেড়ে কথা বলব না।'' বিজেপির সদ্যবিজয়ী বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী আরও জানান যে, '' প্রথমে মোটরসাইকেলে করে বেশ কিছুক্ষণ ধরে গাড়ি ফলো করা হয়েছে। তারপরই এইভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়। এর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরিভাবে জড়িত। যতক্ষণ না দোষীদের ধরা হচ্ছে, আমরা মৃতদেহ দাহ করব না।''
সূত্র্রের খবর, মধ্যমগ্রামের দিকেই বাড়ি শুভেন্দুর PA চন্দ্রনাথ রথের। বাড়ি ফেরার পথেই তাঁর ওপর দুষ্কৃতী হামলা হয়। পুলিশ অনুমান করছে, ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত। দুষ্কৃতীদের নিশানা হয়তো চন্দ্রনাথ রথই ছিলেন। চন্দ্রনাথ গাড়ির যেদিকে বসেছিলেন ঠিক সেই দিকেই এসে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। এর থেকে অনুমান করা যায় যে এটি পূর্বপরিকল্পিত। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি চালানো হয়। ভিভা সিটি হাসপাতালের প্রতিম সেনগুপ্ত জানিয়েছেন, ''আমরা এখানে রাউন্ড দিচ্ছিলাম। ঠিক সেই সময় আচমকা আমাদের কাছে খবর আসে যে দু'জনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় নিয়ে আসা হয়েছে। দৌড়ে এসে দেখলাম চন্দ্রনাথ রথ ও তাঁর সঙ্গে আরও একজন। চন্দ্রনাথ রথকে মৃত অবস্থায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাঁর দুটো গুলি লেগেছে বুকের বাঁদিকে। আর একটি গুলি লাগে পেতে। একেবারে হার্ট ফুটো করে গিয়েছে বলেই ওখানেই স্পট ডেড হয়ে যায় চন্দ্রনাথ রথের।''
