সমীরণ পাল, পার্থপ্রতিম ঘোষ, ময়ূখ ঠাকুর চক্রবর্তী, মধ্যমগ্রাম, উত্তর ২৪ পরগনা :শুভেন্দু অধিকারীর PA চন্দ্রনাথ রথ খুনে নতুন তথ্য। গাড়ি ঘিরে পরপর ১০ রাউন্ড গুলি, খবর পুলিশ সূত্রে। স্বয়ংক্রিয় অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র থেকে গুলি চালানো হয়, খবর পুলিশ সূত্রে। গুলির পর দুষ্কৃতীরা পালায় রাজারহাটের দিকে, খবর সূত্রের। ৩ জন স্থানীয় দুষ্কৃতীকে আটক করে চলছে জিজ্ঞাসাবাদ। রাস্তার একাধিক CCTV ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে, খবর সূত্রের। চন্দ্রনাথ রথের গাড়ির রাস্তা আটকে দাঁড়ায় যে গাড়িটি, সেখান থেকে নেমে গুলি চালায় শার্প শ্যুটার, খবর পুলিশ সূত্রে। 

Continues below advertisement

বেশ কয়েকদিন ধরে রেইকির পর খুনের পরিকল্পনা, খবর সূত্রের। ঘটনার সময় দু'দিক থেকে এসে চন্দ্রনাথের গাড়ি ঘিরে ফেলেছিল আততায়ীরা। সিসিটিভিতে ধরা পড়েছে শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়কের গাড়ি। পুলিশ সূত্রে খবর, খুনের আগে অনেকবার রেইকি করা হয়েছে চন্দ্রনাথ রথের বাড়ির সামনে। ঘটনার আগে বাইকে করে অনুসরণ করা হচ্ছিল চন্দ্রনাথে গাড়ি, খবর পুলিশ সূত্রে। 

শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক খুনের ঘটনায় উঠে আসছে পরপর চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশ সূত্রে দাবি, ঘটনাটি ঘটেছে রাত ১০ থেকে ১০.১৫-র মধ্য়ে। জানা যাচ্ছে, হামলার সময় গাড়ির সামনের সিটে ছিলেন চন্দ্রনাথ রথ ও তাঁর গাড়ির চালক। গাড়ির পিছনের সিটে ছিলেন মিন্টু নামে একজন, যিনি চন্দ্রনাথ রথের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে, আততায়ীরা দলে ছিল মোট ৩ জন। একজন গাড়ি চালিয়ে এসেছিল, অন্য় ২ জন ছিল মোটরবাইকে, খবর পুলিশ সূত্রে। 

Continues below advertisement

চন্দ্রনাথকে খুনের প্রায় ৬ ঘণ্টা আগেই মধ্যমগ্রামে ঢুকেছিল 'গাড়ি' ! কোথায় কোথায় ঘুরেছিল ? 

চন্দ্রনাথ রথ যে গাড়িতে ছিল, সেটির সামনে আড়াআড়িভাবে রাস্তা আটকে দাঁড়়িয়ে যায় গাড়িটি, ফলে গাড়ি থামাতে হয় চন্দ্রনাথ রথের গাড়ি চালককে, খবর পুলিশ সূত্রে। এরপরই গাড়ির ২ দিক থেকে আসে ২টি মোটরবাইক, শুরু হয় গুলিবৃষ্টি। তদন্তকারীদের দাবি, চন্দ্রনাথের মৃত্য়ু নিশ্চিত করতে জানলার কাচে আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে গুলি করা হয়। গুলির অভিঘাতে জানলার কাচে যে গর্ত তৈরি হয়, সেখান থেকে চলে পরপর গুলি। মোট তিনটি গুলি লাগে চন্দ্রনাথের, অন্য়দিক থেকে গুলিতে আহত হয়েছেন গাড়ির চালক, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। 

এই খুনের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ। কে বা কারা এবং কেন এই হামলা চালাল, তাও এখনও স্পষ্ট নয় পুলিশের কাছে। জোরকদমে চলছে তদন্ত।