কলকাতা : মাঝরাস্তায় গাড়ি আটকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে। ২ দিন পর বিজেপির শপথগ্রহণ। তার আগেই ঘটে গিয়েছে এই ভয়ঙ্কর ঘটনা। ক্ষোভে ফুঁসছেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। এ হেন মর্মান্তিক ঘটনায় স্বভাবতই ক্ষুব্ধ বিজেপির নেতৃত্বও। মধ্যমগ্রামের এই হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা এবং এবারের বিধানসভা নির্বাচনে খড়গপুর সদর থেকে জয়ী বিধায়ক দিলীপ ঘোষ বলেছেন, 'যারা বলছে হিংসা হচ্ছে, তারা কিন্তু হিংসা থামাচ্ছে না। কালকে বলেছি এগুলো যদি না থামে, তাহলে তার প্রতিরোধ প্রতিকার হবে। বিজেপি সারা ভারতবর্ষে রাজ করছে। প্রতিটি নির্বাচনে জিতছে। কোথাও কোন মারধর লুঠ করে না বিজেপি। ১৫ বছর ধরে আমরা অত্যাচার সহ্য করেছি। কোনও হিংসা, অত্যাচার চলবে না। গুলি বন্দুকের সংস্কৃতি আমরা বন্ধ করব। আমার মনে হয় এটা নির্বাচন কমিশন এবং পুলিশের দেখা প্রয়োজন যাতে আইনশৃঙ্খলা ঠিক থাকে। যিনি পুলিশ মন্ত্রী তিনি ড্রামা করতে ব্যস্ত। তিনি জীবনে সফলভাবে কোনও কিছু করেননি। গত ভোটের পর বলেছিলেন তিন দিন আমি ছিলাম না। এখন কি বলবেন? চিরদিনের জন্য তো আপনি চলে যাবেন। মানুষের সুরক্ষা কে দেবে ? এই যে গুন্ডাদের নিয়ে আসছেন রাজনীতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তার ফল সকলকে ভুগতে হচ্ছে।' 

Continues below advertisement

Continues below advertisement

১০ মিনিট আগে থেকেই গাড়ি-বাইকে অপেক্ষা করছিল আততায়ীরা ! চন্দ্রনাথ আসতেই 'অ্যাকশন' শুরু, তারপর... 

আততায়ীদের হামলার নিশানায় ছিল একমাত্র চন্দ্রনাথ রথ, নিশ্চিত তদন্তকারীরা, খবর সূত্রের। গাড়ির বাঁ দিকে বসেছিলেন শুভেন্দুর আপ্ত সহায়ক। গাড়ি দিয়ে রাস্তা আটকানোর পর, গাড়ির বাঁদিকেই সরে আসে আততায়ী। জানলার কাচে আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে পরপর গুলি করা হয়। চালক আততায়ীদের নিশানায় ছিলেন না, চন্দ্রনাথের পাশে থাকায় চালকের গায়ে গুলি লাগে। গাড়িতে তৃতীয় একজন ছিলেন, যাঁর নাম মিন্টু, টার্গেটে ছিলেন না বলে, তাঁর কোনও আঘাত লাগেনি, খবর পুলিশ সূত্রে। শ্যুটআউটের পর মিন্টুই গাড়ি চালিয়ে চন্দ্রনাথ ও তাঁর গাড়িচালককে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। কেন চন্দ্রনাথকে টার্গেট করা হল, কারা এর মাস্টারমাইন্ড? উত্তর খুঁজছে পুলিশ। গোটা বিষয়টির নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র আছে, মনে করছেন তদন্তকারীরা, খবর সূত্রের।