কলকাতা: শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) আপ্তসহায়ককে গুলি করে খুন। গাড়ি থামিয়ে গুলি চন্দ্রনাথ রথ-কে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। গাড়িতে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক-সহ ২ জন। আহত শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়কের গাড়ির চালকও। মধ্যমগ্রামে গাড়ি থামিয়ে গুলি করে খুন চন্দ্রনাথ রথ-কে।
বিজেপির সদ্যবিজয়ী বিধায়ক কৌস্তভ বাগচীর অভিযোগ, 'মোটরসাইকেলে করে বেশ কিছুক্ষণ ধরে গাড়ি ফলো করা হয়েছে। তারপর এইভাবে গুলি করে হত্যা। এর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরিভাবে জড়িত। যতক্ষণ না দোষীদের ধরা হচ্ছে, আমরা মৃতদেহ দাহ করব না।'
জানা গিয়েছে, বিকেল পর্যন্ত শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেই ছিলেন। একবার তিনি বিধানসভায় পরিস্থিতি দেখার জন্যও যান বলে খবর। বিধানসভা ভোটে শুভেন্দুর বিশাল ব্যবধানে জয়ের নেপথ্যে অন্যতম কারিগর চন্দ্রনাথ রথ। শুভেন্দুর ছায়াসঙ্গী ছিলেন। মনে করা হচ্ছে, রীতিমতো অঙ্ক কষেই গুলি করে খুন করা হয়েছে চন্দ্রনাথ রথকে।
যতটুকু জানা যাচ্ছে, মধ্যমগ্রামে একটি বিরিয়ানির দোকানের কাছ দিয়ে যাচ্ছিলেন। কৌস্তভ বাগচী বলেছেন, 'আমি যতটুকু শুনেছি, গাড়িটা দোহারিয়ার কাছে এসে দাঁড়িয়েছিল। তখনই নির্বিচারে গুলি চালানো হয়। পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে নির্বিচারে গুলিচালানো হয়। তিনটি গুলিলাগে চন্দ্রনাথ রথের শরীরে। আহত হয়েছেন আপ্তসহায়কের গাড়ির চালকও।'
কৌস্তভের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ, চন্দ্রনাথ রথের গাড়ি বেশ কিছুক্ষণ ধরে ফলো করা হচ্ছিল। তাঁর শরীরে একাধিক জায়গায়গুলি লেগেছে। গাড়ির বাঁদিকে বসেছিলেন চন্দ্রনাথ রথ। অত্যন্ত আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। চন্দ্রনাথ রথের বুকের বাঁদিকে ২টি গুলি লেগেছে বলে খবর। একটি গুলি লেগেছে পেটে। শোনা যাচ্ছে, বুকে লাগা দুটি গুলিতে তাঁর হৃদপিণ্ড এফোঁড় ওফোঁড় করে দেয়।
এর নেপথ্যে কি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে? সরাসরি সেরকমই অভিযোগ করেছেন বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী। শোনা যাচ্ছে, মধ্যমগ্রামের দিকেই বাড়ি চন্দ্রনাথ রথের। বাড়ি ফেরার পথেই তাঁর ওপর দুষ্কৃতী হামলা। পুলিশের অনুমান, ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত। দুষ্কৃতীদের নিশানা হয়তো চন্দ্রনাথ রথই ছিলেন। যেভাবে গাড়ির যেদিকে চন্দ্রনাথ বসেছিলেন, সেই দিকেই এসে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি চালানো হয়।
