নোয়াপাড়া : ভোট দানের মাঝে ফের শিরোনামে নোয়াপাড়া। ভোট চলাকালিন আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীসমর্থকরা। অর্জুন সিংয়ের অনুগামীদের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তোলে তৃণমূল। এই ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা। এই ধরনের কিছু বিক্ষিপ্ত অশান্তির ঘটনা বহু জায়গা থেকে উঠে আসছে। 

Continues below advertisement

নোয়াপাড়ায় আক্রান্ত তৃণমূল। অর্জুন সিংয়ের অনুগামীদের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ। প্রতিবাদে বিক্ষোভ তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের। সমর্থকদের অভিযোগ, তাঁরা তাঁদের এলাকায় বসেছিলেন, কিন্তু হঠাৎ করে কোনও কারণ ছাড়াই অর্জুন সিং এবং বিজেপির অনুগামীরা এসে তাঁদের মারধর করেন। মেরে মুখ ফাটিয়ে দিয়েছে বলেও জানিয়েছে তারা। সরাসরি অর্জুন সিং-এর নাম করেই এই অভিযোগ আনছেন তৃণমূল কর্মীসমর্থকরা। 

ঘটনার সূত্রপাত নিয়ে একজন তৃণমূল সমর্থক জানান, ''আমরা এখানে সবাই বসেছিলাম। উনি এসে জিজ্ঞেস করলেন এখানে কী হচ্ছে, এতজন এখানে কী হচ্ছে ? আমরা ৭-৮ জন ছিলাম।'' আর একজন সমর্থক জানান, '' আমরা ১০০ মিটারের দূরত্বে ছিলাম। ক্যাম্পে বসে আছি আমরা। উনার গুণ্ডারা এসে পেটে, বুকে লাঠি মেরেছে আমাদের। তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের ঘুসি মেরেছে। আমরা আজকে এই মঞ্চ থেকে দাঁড়িয়ে বলছি অর্জুন সিং-এর ফাঁসি চাই। 

Continues below advertisement

উত্তর ব্যারাকপুরের চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল জানান, ''আমি এখানেই বসেছিলাম। ওরা এসে আমার বুকে আর পেটে লাথি মারে। বহিরাগত ছেলেরা দলবল নিয়ে এসে এই কাজ করেছে। আমরা জানতাম না পাশেই অর্জুন সিং ছিলেন। দৌড়ে এসে পা তুলে লাথি মেরেছে।'' উল্লেখ্য, রাজ্যের দ্বিতীয় দফার ভোটে বুথে বুথে শান্তিপূর্ণ ভোট চললেও কিছু জায়গায় অশান্তির খবরও প্রকাশ্যে আসছে। মধ্যমগ্রামের খামারপাড়া পঞ্চায়েতের রমাগাছি ২৯২ নম্বর বুথে ভোটারদের প্রভাবিত করার ঘটনায় উত্তেজনা শুরু হয়। ভোটারদের প্রভাবিত করছে তৃণমূল এজেন্ট। এই অভিযোগ আনেন ISF প্রার্থী প্রিয়ঙ্কা বর্মন। প্রার্থীর অভিযোগে তৃণমূল এজেন্টকে বের করে দেয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। যদিও ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার অভিযুক্ত তৃণমূল এজেন্ট। এই ঘটনার পরই বুথে ঢুকে তৃণমূল এজেন্টকে বের করে দেওয়ার দাবি জানান ISF প্রার্থী প্রিয়ঙ্কা। 

মধ্যমগ্রামের পাশাপাশি, বহু জায়গায় এই ধরণের বিক্ষিপ্ত অশান্তি দেখা দেয়। চুঁচুড়ায় কারবালায় তৃণমূল, ফরওয়ার্ড ব্লক ও বিজেপির ক্যাম্প ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে চুঁচুড়ার তৃণমূল প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্য যান। ২৭ ও ২৮ নম্বর ওয়ার্ডেও তৃণমূল ক্যাম্প অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। তৃণমূলই লোক জড়ো করে এই ঘটনা ঘটিয়েছে, পাল্টা দাবি বিজেপির।