West Bengal Assembly Election 2026: বহরমপুর থেকেই প্রার্থী হচ্ছি, জানিয়ে দিলেন অধীর চৌধুরী। 'দল বলেছে ভোটে লড়তে, তাই লড়ব। আমি তো বহরমপুরেরই সাংসদ ছিলাম। লোকসভার পর এবার বিধানসভার লড়াই। সাংসদের পর এবার বিধায়কের লড়াই, অস্বস্তি তো একটা আছে। দল বলেছে ভোটে লড়তে, তাই দাঁড়াচ্ছি,' জানালেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী।
অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলছেন, 'পার্টি বলছে ভোটে দাঁড়াতে, তাই আমাকে দাঁড়াতে হবে। পার্টির আমি সৈনিক একটা, কী করব। আর আমি তো বহরমপুরেরই এমপি ছিলাম। মানে বহরমপুরের বিধায়ক প্লাস না ব্যাপারটা। আমি তো বাইরের কেউ ছিলাম না। বহরমপুরেরই এমপি ছিলাম। বহরমপুরের এমপি- র মধ্যে বহরমপুরটাও তো ছিল। অতএব আমি তো বাইরের কিছু না যে হঠাৎ করে এলাম আর বিধায়ক পদে দাঁড়ালাম। অস্বস্তি তো একটা লাগবেই। এতদিন একটা ভাবে রাজনীতি করেছি। এতদিন একটা ভাবে এমপি ভোট করেছি। হঠাৎ করে এমএলএ ভোট করতে হয়তো হতে পারে, কারণ আমার পার্টি সেটা চাইছে। আমি পার্টি ম্যান। পার্টি আমাকে যেখানে বলবে, সেখানে যেতে হবে, এটাই আমি জানি।'
ইদের পর প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে পারে কংগ্রেস। টিকিট পাওয়ার দৌড়ে রয়েছেন শুভঙ্কর সরকার, নেপাল মাহাত, মনোজ চক্রবর্তী। এবার প্রার্থী হতে পারেন আব্দুল মান্নান, মৌসম বেনজির নুর, আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, মৌসম নূর কয়েক দিন আগেই তৃণমূল থেকে কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। এ ছাড়াও এবারের নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন সন্তোষ পাঠক, প্রসেনজিৎ বসুর মতো নেতারা। এ ছাড়াও এবারে প্রার্থী হতে পারেন সোমেন মিত্রের ছেলে রোহন মিত্র। বহরমপুরে এবার তৃণমূলের প্রার্থী নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায়।
এবার পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন হবে ২ দফায়। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফা। ১৫২ আসনে সেদিন ভোটগ্রহণ হবে। দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ ২৯ এপ্রিল, ১৪২ আসনে ভোটগ্রহণ হবে দ্বিতীয় দফায়। ভোটগণনা ৪ মে। বিজেপি এবং সিপিএম আংশিক ভাবে, আর তৃণমূল প্রায় পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকা ইতিমধ্যেই প্রকাশ করেছে। কংগ্রেস এখনও প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেনি। ইদের পর প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে পারে কংগ্রেস, এমনটাই শোনা গিয়েছে। কে, কোন আসনে টিকিট পেলেন, কোন প্রার্থী কোথা থেকে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে লড়বেন সেটাই এখন দেখার।
