কলকাতা: কাল রাজ্যে প্রথম দফার ভোট। আর প্রথম দফা ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত নিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপির সেকেন্ড ইন কম্যান্ড অমিত শাহ।

Continues below advertisement

দুপুর পর্যন্ত নজরদারি

বৃহস্পতিবার বিজেপির ওয়ার রুমে থাকবেন অমিত শাহ (Amit Shah)। সল্ট লেকের পার্টি অফিসে বসেই ভোটে নজর রাখবেন অমিত শাহ। ভোটের জন্য সল্টলেকের পার্টি অফিসে ওয়ার রুম খুলেছে বিজেপি। দুপুর পর্যন্ত নজরদারির পর বলাগড়ের সভায় যাবেন অমিত শাহ। ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত এ রাজ্যেই থাকবেন অমিত শাহ।

আরও পড়ুন: বাংলা ক্রিকেট দলের কোচ কে হবেন? বড় বদল! বেনজির সিদ্ধান্ত সিএবি-র, জারি হবে বিজ্ঞপ্তি

Continues below advertisement

রাত পোহালেই রাজ্যে প্রথম দফার ভোট। বহু আগে থেকেই ঘন ঘন পশ্চিমবঙ্গে আসছেন অমিত শাহ ও নরেন্দ্র মোদি। বিজেপির হয়ে প্রচারে এসেছেন যোগী আদিত্যনাথও। জোরদার প্রচার চালিয়েছে বিজেপি। জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী বলে বারবার বিভিন্ন সভা থেকে জানিয়েছেন অমিত শাহ। হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, 'সামনের দেওয়াল লিখন পড়তে পারছি। ৫ মে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গড়তে চলেছে। বাংলার মানুষ দিদিকে টাটা বাই বাই বলতে তৈরি। দিদি, আপনার গুণ্ডাদের বোমাবাজিতে বাংলার মানুষ আর ভয় পাবে না। বাংলার মানুষ এবার বোমার জবাব ব্যালটে দেবে'। 

রাজ্যে সরকার গঠন করবে বিজেপি, শাহি দাবি

বিজেপি ক্ষমতায় এলে পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে জোর জল্পনা চলছে। বিজেপির মুখ্যমন্ত্রীর মুখ কে, তা নিয়ে স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন শাহ। খয়রাশোলের সভা থেকে শাহ বলেছিলেন, 'পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হবেন এমন একজন, যিনি বাংলা ভাষায় কথা বলেন, বাংলার মাটিতেই বড় হয়েছেন, বাংলায় পড়াশোনা করেছেন...এমন কোনও বিজেপির কার্যকর্তাই হবেন পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী।'

অমিত শাহ আরও বলেছিলেন, 'দিদি চায় তাঁর ভাইপো মুখ্যমন্ত্রী হোক। আপনারা বলুন ভাইপোকে মুখ্যমন্ত্রী করা উচিত? ওরা মিথ্যে প্রচার করছে যে বাংলা, দিল্লি থেকে চালানো হবে। বাংলার আগামী মুখ্যমন্ত্রী, বাংলাতেই জন্ম নেওয়া, বাংলাতেই পড়াশোনা করা আর বাংলায় কথা বলা, বাংলার ব্যক্তিই হবে। কিন্তু দিদি আপনি খুশি হবেন না, তিনি তৃণমূলের হবেন না। আপনার ভাইপো হবেন না। বিজেপির কর্মী হবেন।'

কাল থেকে শুরু বিধানসভার যুদ্ধ। প্রথম দফায় ১৬ জেলার ১৫২ আসনে নির্বাচন। কাল সকাল ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ। মোতায়েন প্রায় ২ লক্ষ কেন্দ্রীয় বাহিনী। নজরদারিতে প্রায় ১০০ পুলিশ পর্যবেক্ষক।