West Bengal Assembly Election 2026: অর্জুন সিংকে আক্রমণ সোমনাথ শ্যামের, পাল্টা অর্জুনের। অর্জুন সিংকে জগদ্দলে প্রার্থী হওয়ার চ্যালেঞ্জ ছুড়েছিলেন সোমনাথ শ্যাম। জগদ্দল থেকে পালিয়ে গিয়েছেন অর্জুন সিং, আক্রমণ সোমনাথের। চোরকে ধরতে পুলিশ পাঠিয়েছি, পাল্টা নোয়াপাড়ার বিজেপির প্রার্থী অর্জুনের। একে অন্যকে চোর বলেও কটাক্ষ সোমনাথ ও অর্জুনের। 

Continues below advertisement

সোমনাথ শ্যাম প্রসঙ্গে অর্জুন সিং বলেছেন, 'ও তো পারমানেন্ট চোর। কতগুলো কারখানা বেচে দিয়েছে। একটা লোক খুঁজে পাবেন না যে জমি কিনেছে বা বেচেছে, তার থেকে টাকা নেয়নি। জগদ্দল বিধানসভায় একটা রিকশাওয়ালাকে জিজ্ঞেস করুন লোহা চোর কাকে বলে? এক কথায় বলে দেবে এখানকার বিধায়কের নাম। পুলিশকে জিজ্ঞেস করুন, থানা... যে ওকে নিরাপত্তা দিচ্ছে, সেও ওকে লোহা চোর হিসেবেই চেনে। লোহা চোরের জন্য বিজেপি পুলিশ পাঠিয়েছে। যাও লড়ো। বুঝবে কত ধানে কত চাল। জাঁদরেল পুলিশ অফিসার। একটা চোরকে ধরার জন্য তো পুলিশ অফিসারই লাগবে। আমি কি চোরকে ধরব... আমি চোর চোর বলে চেঁচাতে পারি, তাড়াতে পারি। চোরকে ধরবে তো পুলিশই।' 

অর্জুন সিংকে একহাত নিয়েছেন সোমনাথ শ্যামও। জগদ্দলের বিধায়ক অর্জুন সিং সম্পর্কে বলেছেন, 'যার বিরুদ্ধে কো-অপারেটিভ কেস, এত কোটি টাকার চুরি আছে, যার বিরুদ্ধে ভাটপাড়া পুরসভায় কোটি কোটি টাকার চুরি আছে, যার বিরুদ্ধে ডালডা ফ্যাক্টরিকে একটা শ্মশান করে দেওয়া, যার বিরুদ্ধে পেপার মিলকে একদম শ্মশান করে দেওয়া, যার বিরুদ্ধে জুটমিলগুলোকে শেষ করে দেওয়া আছে... সে এখন বড় বড় কথা বলছে। চোরের মায়ের বড় গলা। ওনার কাছে আর কিছু বলার নেই। মিডিয়ার মাধ্যমে, মিডিয়ার সামনে ছাড়া ওনার আর কিছু বলার নেই। ওনার সৎ সাহস থাকলে আমার সঙ্গে ডিবেট করে আমার চুরিগুলো প্রমাণ করে দিন। আমি শুধু এখন নয়, ১৯৭০ সাল থেকে উনি আর ওনার পরিবার কী কী চুরি করেছেন প্রমাণ করে দেব। চ্যালেঞ্জ ছুড়েছিলাম, যদি দম থকে আমার বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়ে দাঁড়িয়ে লড়ে নিক। আগামী দিনে কে জিতবে, কে হারবে, কে ময়দানে থাকবে প্রমাণ হয়ে যাবে।' 

Continues below advertisement

অর্জুন সিং এবং সোমনাথ শ্যামের সংঘাত নতুন নয়। এর আগেও বহুবার বাগযুদ্ধে নেমেছেন এই দুই নেতা। একে অন্যকে কটাক্ষ করতে একটুও পিছপা হন না তিনি। আর এবার বিধানসভা নির্বাচনের আবহে অর্জুন সিং এবং সোমনাথ শ্যাম একে অন্যকে 'চোর' বলেই কটাক্ষ করেছেন।