কলকাতা: বুধবার দ্বিতীয় দফায় ভোটের (WB Assembly Election 2026) আগে বিশেষ হেল্পলাইন নম্বর প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force)। ওয়েস্টবেঙ্গল সেক্টর ও রাজ্য ফোর্স কোঅর্ডিনেটর সিআরপিএফের আইজি হেল্পলাইন নম্বর প্রকাশ করেছেন। ভোটের দিন কোনও সমস্যা হলে বা অভিযোগ থাকলে হেল্পলাইন নম্বরে জানানো যাবে। দুটো মোবাইল ও একটি ল্যান্ড লাইন নম্বর দেওয়া হয়েছে। মোবাইল নম্বর দুটি হল ৮৪২০২৭২১০১, ৮৪২০২৭২৩৪৩ ও ল্যান্ড লাইন নম্বরটি হল ০৩৩২৩৬৭১১১৭। চারিদিকে কেন্দ্রীয় বাহিনী টহল দিচ্ছেন, তবুও ভোটাররা যাতে কোনওরকম সমস্যায় না পড়েন ভোট দিতে গিয়ে, তার জন্য়ই এই হেল্পলাইন নম্বর প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। 

Continues below advertisement

প্রথম দফার মতো শেষদফায় অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে পারবে কমিশন? দ্বিতীয় দফার ভোট নিয়ে আরও কড়া নির্বাচন কমিশন। মোতায়েন প্রায় ২ লক্ষ কেন্দ্রীয় বাহিনী, নিউটাউনে স্পেশাল কন্ট্রোল রুম। দ্বিতীয় দফায় ২ হাজার ৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে মোতায়েন করা হয়েছে ৩৮ হাজার ২৯৭ রাজ্য পুলিশ। প্রতিটি বুথে কমপক্ষে হাফ সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে। যেখানে ৩ টি বুথ, সেখানে থাকবে এক সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী। ৫ টি বুথ হলে সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে ২ সেকশন। এর মধ্যে কলকাতায় ২৭৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। ব্যারাকপুরে ১৬০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, ডায়মন্ড হারবারে ১৩৪ কোম্পানি, বারাসাতে ১১২ কোম্পানি, বারুইপুরে ১৬১ কোম্পানি, হাওড়া গ্রামীণে ১৪৭ কোম্পানি, পূর্ব বর্ধমানে ২৬০ কোম্পানি, কৃষ্ণনগরে ১৫৮ কোম্পানি, বনগাঁয় ৬২ কোম্পানি, বিধাননগরে ৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, প্রথম দফায় সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় ভোটের আগে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে আরও পুলিশ অফিসার নিয়োগ। প্রথম দফার নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা ২৬ জন পুলিশ অফিসারকেই নিয়োগ করা হয়েছে দ্বিতীয় দফায়। ব্যারাকপুরে নিয়ে আসা হল অতিরিক্ত অতিরিক্ত ৪ জন পুলিশ অফিসারকে। হাওড়া-কৃষ্ণনগরে ১ জন, বারাসাত-বসিরহাট-বারুইপুরে অতিরিক্ত ২ জন পুলিশ অফিসারকে। পূর্ব বর্ধমান, চন্দননগর, হাওড়া গ্রামীণ, হাওড়া শহরে নিয়োগ অতিরিক্ত ২ জন পুলিশ অফিসারকে।

Continues below advertisement

এদিকে, দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন, ''প্রথম দফার থেকেও বেশি ভোট পড়বে দ্বিতীয় দফায়। নির্ভয়ে ভোট দিতে পারবেন ভোটাররা। শান্তিপূর্ণ ভোটই হবে দ্বিতীয় দফাতেও।''