রাজ্যে বেজে গিয়েছে নির্বাচনের দামামা। ইতিমধ্যেই ঘোষণা হয়ে গিয়েছে একাধিক দলের প্রার্থীতালিকা। নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশনও। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানিয়ে দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে দেশের যে কোনও নির্বাচনেই এবার থেকে ১০০ শতাংশ ওয়েব কাস্টিং হবে। অর্থাৎ, সিসিটিভির নজরদারি চলবে বুথের বাইরে ও ভিতরে।

Continues below advertisement

কিন্তু এতদিন যেভাবে বুথের মধ্যে থাকতেন মাইক্রো অবজার্ভাররা, আগামীর নির্বাচনে তাঁরা আর থাকবেন না। তাহলে কী হবে? বুথে মাইক্রো অবজার্ভার ছাড়া কি তাহলে হবে নির্বাচন? বুথের ভিতরের নিরাপত্তা নিয়েও তো তাহলে প্রশ্ন উঠতে পারে। তাহলে? পশ্চিমবঙ্গের জেনারেল অবজার্ভার সুব্রত গুপ্ত জানালেন আসল তথ্যটা। সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি জানালেন এবার থেকে আর কোনও বুথে মাইক্রো অবজার্ভার থাকবে না। বদলে প্রতিটা বুথে ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। আর কন্ট্রোলরুমে বসে সেই ওয়েব কাস্টিংয়েই নজর রাখবেন মাইক্রো অবজার্ভাররা।

জেনারেল অবজার্ভার সুব্রত গুপ্ত জানিয়েছেন, ভোটের ২ বা ৩ দিন আগে থেকেই পোলিং স্টেশনে প্রায় ২ লক্ষের বেশি ক্যামেরা লাগানো হবে। আর রাজ্যের একাধিক কন্ট্রোল রুম থাকবে। ৬৬০টা স্ক্রিন বিভিন্ন জায়গায় লাগানো হবে। কন্ট্রোল রুমে বসে প্রায় ২ হাজার ৩৫২ জন মাইক্রো অবজার্ভার পুরো রাজ্যে ক্যামেরার মাধ্যমে নজর রাখবেন। কেন্দ্রীয় ভাবে তিনটে স্তরে এই নজরদারির কাজ চলবে। প্রথম নজরদারি করবেন রিটার্নিং অফিসার। তারপর জেলার নির্বাচনী আধিকারিক (DEO) ও তারপর থাকবেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO)।

২৯৪ জন জেনারেল অবজার্ভার থাকবেন। এ ছাড়াও ৮৪ জন পুলিশ অবজার্ভার ও ১০০ জন এক্সপেন্ডিচার অবজার্ভার থাকবেন। এ ছাড়াও এই অবজার্ভারদের সাহাযয করতে সঙ্গে থাকবেন আরও প্রায় ৯৫৬ জন।