কলকাতা: ভোটের (Assembly Election) মুখে ফের পুলিশে (West Bengal Police) রদবদল। বদল করা হল একগুচ্ছ ইন্সপেক্টর (Inspector) ও সাব-ইন্সপেক্টর (Sub Inspector) পদমর্যাদার অফিসারদের। রাজ্যে মোট ৮১ জন ইন্সপেক্টরকে সরিয়ে অন্যত্র বদলি করা হল। মোট ৪৯ জন সাব-ইন্সপেক্টরকেও বদলির সিদ্ধান্ত কমিশন (Election Commission)।
ভোট ঘোষণার পরই পুলিশে বদল
ইঙ্গিত আগেই মিলেছিল, ভোট ঘোষণার পর অ্যাকশনও শুরু হয়ে গিয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটের দিন ঘোষণার পরপরই, ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রাজ্য প্রশাসন ও পুলিশের সর্বোচ্চ স্তরে ব্যাপক বদল করেছিল নির্বাচন কমিশন। ভোট ঘোষণা মাত্রই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা চলে যায় নির্বাচন কমিশনের অধীনে। এরপর প্রচুর বদলও হয়।
ভোট ঘোষণা হতেই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের যেন নজিরবিহীন 'সার্জিক্যাল স্ট্রাইক' চলে। ২৮ জন IPS অফিসারকে সরিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। DG, ADG, DIG থেকে SP....সরানো চলছিলই। রাজ্য পুলিশের পদস্থ কর্তাদের সরানোর নির্দেশ দিয়েছিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ৫ জন DIG-কে একসঙ্গে সরানো হয়েছিল।
পুলিশদের কড়া নির্দেশ
এদিকে, ভোটের মুখে জেলাশাসক, পুলিশ সুপার ও পুলিশ কমিশনারদের কড়া নির্দেশিকা দিল নির্বাচন কমিশন। নির্দেশিকায় স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ভোটের দায়িত্ব পালনে কোনও গাফিলতি, অবহেলা বা অসৎ আচরণ ধরা পড়লে, কড়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে, মালদার পাশাপাশি, আরও পাঁচ পুলিশ পর্যবেক্ষককে পরিবর্তন করল কমিশন।
মমতার ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য
তবে নির্বাচন কমিশন একের পর এক আমলা ও পুলিশ কর্তাকে অপসারণ করায়, ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, 'যে অফিসারকেই পাঠান, তারা সবাই আমাদের হয়েই কাজ করবে'। বিজেপি সাংসদ মনোজ টিগগা বলেছিলেন, 'যারা সরকার পক্ষের হয়ে কাজ করবে, নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করবে না, তাদের তো ট্রান্সফার হবেই।'
ভোট সুষ্ঠুভাবে করতে কমিশনের নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছিল, ভোটের দায়িত্ব পালনে কোনও গাফিলতি, অবহেলা বা অসৎ আচরণ ধরা পড়লে, সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে কড়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
