কলকাতা: আজ ছিল পশ্চিমবঙ্গের শেষ দফায় ভোট। এদিকে ইতিমধ্যেই প্রথম দফায় রেকর্ড ভোট জমা পড়েছে।  ঘড়ির কাঁটা অনুযায়ী দ্বিতীয় দফার ভোটের শতাংশের হার যা বলছে, তা এখনও অবধি ফের ট্রেন্ডকে টপকে দিতে পারে। ঐতিহাসিক ছাব্বিশের নির্বাচনের পর, তাই সেই প্রশ্নটা সবার মনে ঘোরা ফেরা করছে, পরিবর্তন না প্রত্যাবর্তন ? বুথ ফেরৎ সমীক্ষায় তৃণমূল-বিজেপি ও অন্যান্যদের মধ্যে পাল্লা ভারী কার ? ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে প্রজা পোল অ্য়ানালিটিক্স-এর Exit Poll. 

Continues below advertisement

কী বলছে প্রজা পোল অ্য়ানালিটিক্স-এর Exit Poll ? দেখুন একনজরে 

 

Continues below advertisement
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬ 
বিজেপি  178-208
তৃণমূল   85-110
অন্য়ান্য়  0-5

শেষ হল ছাব্বিশের হাইভোল্টেজ বিধানসভার নির্বাচন। চৌঠা মে ফল ঘোষণা। তার আগে, রাজ্যবাসীর রায় কোন দিকে যেতে পারে, তা নিয়ে সমীক্ষা চালিয়েছে একাধিক সংস্থা। পরিবর্তন না প্রত্যাবর্তন, কী ইঙ্গিত দিচ্ছে সমীক্ষক সংস্থাগুলো। ছাব্বিশের হাইভোল্টেজ বিধানসভার নির্বাচন শেষ। এবার অপেক্ষা ভোটের ফলের। পরিবর্তন? না, প্রত্যাবর্তন? কোন দিকে যাবে পশ্চিমবঙ্গের জনমত? জানা যাবে চৌঠা মে, সোমবার।  তার আগে এ রাজ্যের রায় কোন দিকে যেতে চলেছে, তার আঁচ পেতে সমীক্ষা চালিয়েছে বিভিন্ন ভোট সমীক্ষক সংস্থা। এগজিট পোলগুলির বেশিরভাগেতেই রাজ্যে পালাবদলের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এ রাজ্যে মোট আসন ২৯৪টি। ম্যাজিক ফিগার, ১৪৮। 

Disclaimer: রাজ্যে দু’দফায় বিধানসভা নির্বাচন হয়ে গেল। জনতা জনার্দন কী রায় দিয়েছে? পরিবর্তন নাকি প্রত্যাবর্তন, কী ভাবছেন ভোটাররা? সেই সব উত্তর আর প্রার্থীদের ভাগ্য এখন EVM বন্দি। তবে, তা নিয়ে বুথ ফেরত সমীক্ষা করেছে দেশের বিভিন্ন মিডিয়া। সেই দুহাজার পাঁচ সাল থেকে এবিপি আনন্দে প্রতিটি নির্বাচনে ওপিনিয়ন পোল বা এক্সিট পোল আপনাদের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে। তার মধ্যে কিছু মিলেছে, আবার কিছু মেলেনি। মেনে নিতে এতটুকুও দ্বিধা নেই যে, এইসব সমীক্ষার accuracy কিন্তু ক্রমশ কমছে। এর কারণ, শুধুমাত্র সমীক্ষার Sample Size ছোট হওয়া নয়, ইদানিং এর বড় কারণ চ্যাটবট বা বিভিন্ন AI সফটওয়্যারের ব্যবহার। Field-Survey যত কমবে, মোবাইল বা AI সফটওয়্যারের ব্যবহার যত বাড়বে, বাস্তবের সঙ্গে সমীক্ষার ফারাক তত বাড়বে। তবুও, প্রতিষ্ঠিত সমীক্ষক সংস্থাগুলো বাংলার ভোট নিয়ে যে-সব সমীক্ষা করবে, তাদের সবার সমীক্ষাই আমরা তুলে ধরব। কিন্তু এই সমীক্ষার সঙ্গে আমাদের জার্নালিস্টিক জাজমেন্ট বা এডিটোরিয়াল পলিসির কোনও সম্পর্ক নেই। সমীক্ষক সংস্থার দেওয়া সংখ্যাগুলো হুবহু আপনাদের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে মাত্র। আরও স্পষ্ট করে জানানো হচ্ছে, এবিপি আনন্দ নিজস্ব কোনও সমীক্ষা করেনি। রাজ্যের মসনদে কে, তা জানা যাবে একমাত্র ৪ মে-ই।