কলকাতা: রাজ্য়ে বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election 2026) প্রথম দফায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত মোট ৯০ শতাংশ ভোট পড়েছে। যা রেকর্ড এই রাজ্যের ভোটের ইতিহাস হিসেবে। বিপুল সংখ্য়ক মানুষ ভোট দিয়েছেন। এতে খুশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বউবাজার থেকে সভায় বলছেন, 'এই ভোট অধিকার রক্ষার লড়াই, তাই মানুষ ভোট দিচ্ছেন। ভোট না দিলে ঠিকানা যাবে, সম্পত্তি যাবে, অধিকার যাবে।''

Continues below advertisement

তিনি আরও বলেন, ''এত ভোট কাটার পরেও এত ভোট কেন পড়ছে জানেন? কারণ আমার মনে হয়, মানুষ জানে তৃণমূলকে ভোট না দিলে তাঁর আমও যাবে, ছালাও যাবে। এরপর NRC করার প্ল্যান করবে। মহিলা বিল পাশ হয়ে গিয়েছিল ২০২৩ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর। বিল হয়ে গিয়েছিল। আমরা সবাই ভোট দিয়েছিলাম। ৪৫০ এর বেশি ভোট পড়েছিল। আজকে ২০২৩-২০২৬ সাল, নোটিফিকেশন করলেন না কেন? আসলে প্ল্যান এ,সামনে মহিলার নাম রাখা আর পেছনে ডিলিমিটেশন করা নিজেদের জেতার স্বার্থে।''

আরও পড়ুন: জলপাইগুড়িতে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে ব্যাপক উত্তেজনা

Continues below advertisement

এদিকে, কশিনকেও আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ''কমিশনের অফিস থেকে খবর ছড়ানো হচ্ছে ৪টের পর নাকি গন্ডগোল হবে। তার মানে কি গন্ডগোল করে, ছাপ্পা দিয়ে দখল করার পরিকল্পনা করেছে? ধর্মের কল বাতাসে নড়ে, আপনারা যেটাই করবেন সেটাই বিপক্ষে যাবে।''

মহিলা সংরক্ষণ বিল ইস্যু নিয়েও মুখ খোলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, 'পুনর্বিন্যাস বিল নিয়ে এসেছিল। মহিলা সংরক্ষণ বিল ২০২৩ সালে পাস হয়েছিল। কিন্তু এদের তো লজ্জা-ঘৃণা-ভয়, তিন থাকতে নয়। অগাস্টের পর দুঃসময় আসছে। কী করেছেন বাংলার জন্য যে মানুষ আপনাদের ভোট দেবে? মেট্রো রেলগুলোও তো আমার করা। আমি না থাকলে দিল্লির মেট্রো হত? অ্যান্টি কলিউশন ডিভাইস কে করেছিল, আমি করেছিলাম।''

উল্লেখ্য, এদিন বিকেল পর্যন্ত ভোট পড়ল ৯০ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি দঃ দিনাজপুরে। আগের তুলনায় শান্তিপূর্ণ ভোট, প্রথম দফার ভোটে খুশি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। ভোট পড়ল ৯০%। তবে এরই মধ্যে মুর্শিদাবাদ, দঃ দিনাজপুর থেকে বীরভূম, আসানসোল। প্রথম দফায় জেলায় জেলায় বিরোধীদের উপর হামলা। কোথাও মার, কোথাও ভোটারদের হুমকি! বিভিন্নরকম ছবি উঠে আসছে। একইসঙ্গে বুথ দখলের কমিশনের আশঙ্কার মধ্যেই খয়রাশোলে আক্রান্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী।ইটবৃষ্টি, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর। সার্ভিস রিভলবার বের করতে হল পুলিশকে।