কলকাতা: ভোটের আগে একাধিক পদ থেকে ইস্তফা নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রী তার অধীনে থাকা ২৬ থেকে ২৮টি লাভজনক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। মূলত বিধি মেনে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নের আগে একাধিক পদে ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই সেই চিঠি পৌঁছে গিয়েছে নির্বাচন কমিশনের কাছে বলে সূত্র মারফত খবর।
ভবানীপুর আমার মা। মা-কে প্রণাম করে রাজ্যে প্রচারে বেরোচ্ছি। ভোটপ্রচার শুরুর আগে অহীন্দ্র মঞ্চে কর্মিসভায় এমনটাই বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে ভবানীপুরে তৃণমূল কংগ্রেসকে ৬০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জেতানোর টার্গেট বেধে দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়। তৃণমূলকে জেতানোই শুধু টার্গেট হলে চলবে না, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে, প্রথম কর্মিসভাতেই দলীয় নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে টার্গেট বেঁধে দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২১-এ রাজ্যে বিধানসভা ভোটের ভরকেন্দ্র ছিল নন্দীগ্রাম।ভোটের ময়দানে মুখোমুখি হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারী। এবার সেই ভরকেন্দ্রই সরে এসেছে ভবানীপুরে।ইতিমধ্যেই ভবানীপুরে প্রচারে নেমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন শুভেনদু অধিকারী! ভবানীপুর বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, মিনিমাম ২৫ হাজার ভোটে আমি জিতব, মিনিমাম।
এই আবহে রবিবার প্রথম কর্মিসভা করেন তৃণমূল নেত্রী। সঙ্গে ছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনিই কর্মীসভায় প্রথমে বক্তব্য রাখতে উঠে মার্জিনের টার্গেট বেঁধে দেন। সূত্রের খবর, তিনি বলেন, কলকাতার মধ্যে ভবানীপুরকে প্রথম হতে হবে। তৃণমূলকে জেতানোই শুধু টার্গেট হলে চলবে না, ৬০ হাজার ব্যাবধানে জেতাতে হবে। ভবানীপুরে ২৩১ টি বুথে যে লিড ছিল তাকে ছাপিয়ে যেতে হবে।তিনি কর্মী সমর্থকদের নির্দেশ দেন, একবার নয় দরকার হলে তিন বার করে যান।আত্মতুষ্টিতে ভুগলে হবে না, নিজেদের জায়গায় অন্তত ৫ টি করে ভোট বাড়াতে হবে। পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলতে উঠে ভবানীপুরের ভূমিকন্যা হিসাবেই নিজেকে তুলে ধরেন। সূত্রের খবর, বৈঠকে তিনি বলেন, ভবানীপুর আমার মা। মা-কে প্রণাম করে রাজ্যে প্রচারে বেরোচ্ছি। ভবানীপুর কেন, গোটা রাজ্যের মানুষ আমাকে এখানে দেখেন। তাঁরা জানেন আমি এখানকার মানুষ। আমার এখানে বাড়ি বদলের বিষয়ে অনেকবার আলোচনা হয়েছিল। আমি বাড়ি বদলাইনি।আমার মা আমাকে এই বাড়ি বদল করতেও দেননি।
