নন্দীগ্রাম : পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election 2026) প্রথম পর্যায়ের হেভিওয়েট কেন্দ্র নন্দীগ্রাম (Nandigram)। এই বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) হয়ে লড়ছেন পবিত্র কর (Pabitra Kar)। বৃহস্পতিবার সকাল সকাল ভোট দিয়েছেন তিনি। পবিত্র বলছেন, 'নির্বাচনে অংশগ্রহণ করাই বাধ্যবাধকতা। সেই জায়গা থেকে ভোট দিলাম। আমার এরপরের কর্মসূচি হল, নন্দীগ্রামবাসীকে একটা জঞ্জাল থেকে মুক্ত করার জন্য সাধারণ মানুষ যেভাবে উৎসাহের সঙ্গে নির্বাচনে অবতীর্ণ হয়েছেন, তাঁদের উৎসাহ দেওয়া।' এখনও পর্যন্ত নির্বিঘ্নেই ভোট হচ্ছে নন্দীগ্রামে, কোথাও কোনও সমস্যা হয়নি, এমনটাই দাবি করেছেন নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র কর। এদিন সকালে অবশ্য পবিত্র কর ২টি বুথে ইভিএমের সমস্যা রয়েছে বলে অভিযোগ করেন। সেখানে ইভিএম বদলের দাবি জানানো হয়েছে বলেও জানান তিনি। গত রাতে কিংবা তার আগে রাতে, প্রায় ৪ দিনের কাছাকাছি বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের উপর আক্রমণ হয়েছে, অনেকে আহত হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন পবিত্র কর। 

Continues below advertisement

ভোট শুরুর দিনে এক্স হ্যান্ডলে বাংলা ভাষায় প্রধানমন্ত্রীর পোস্ট 

রাজ্যে প্রথম দফায় বিধানসভা ভোট শুরুর দিন ভোটারদের উৎসাহ দিতে এক্স হ্যান্ডলে বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক্স হ্যান্ডলে বাংলা ভাষায় প্রধানমন্ত্রী লেখেন, আমি সমস্ত নাগরিককে পূর্ণ উদ্যমে গণতন্ত্রের উৎসবে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানাই। বিশেষভাবে আমার তরুণ বন্ধুদের এবং পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের বিপুল সংখ্যায় ভোট দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। 

Continues below advertisement

বাংলা ভাষায় এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেছেন অমিত শাহও 

বাংলা ভাষায় এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। তিনি লিখেছেন, এবারের নির্বাচন রাজ্যের বর্তমানের পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি শক্তিশালী নেতৃত্বের সরকারই বাংলার ডেমোগ্রাফি পরিবর্তনকারী অনুপ্রবেশকারী, সিন্ডিকেট ও কাটমানি রাজ থেকে রাজ্যকে মুক্তি দিতে পারে। তিনি আরও লিখেছেন, বাংলার মা-বোনেদের জন্য একটি সুরক্ষিত বাংলা গড়তে আজ উৎসাহের সঙ্গে ভোট দিন। 

আজ ১৫২টি আসনে মোট ১ হাজার ৪৭৮ জন প্রার্থীর ভাগ্যপরীক্ষা হতে চলেছে। যাদের মধ্যে পুরুষ প্রার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ৩১১ জন ও মহিলা প্রার্থীর সংখ্যা ১৬৭ জন। প্রথম দফার ভোটে মোট ২ হাজার ৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করেছে নির্বাচন কমিশন। সেইসঙ্গে ৪০ হাজার ৯২৮ জন পুলিশ মোতায়েন করা রয়েছে। নজরদারির জন্য ৯৩ হাজার ৯৩৮টি ওয়েব ক্যামেরায় মু়ড়ে ফেলা হয়েছে মোট ৪৪ হাজার ৩৭৬ টি বুথ।