ঝাড়গ্রাম : ভোটের আগে আজ ছিল শেষ রবিবার। প্রচারে তাই একটুও ফাঁক রাখতে চায়নি বিজেপি। আজ ১৯ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গে চার জায়গায় জনসভা করেছেন নরেন্দ্র মোদি। ঝাড়গ্রামেও সভা ছিল তাঁর। সেখানেই জনতার মাঝে একটি দোকানে ঢুকে ঝালমুড়ি খেয়েছেন মোদি। কথাবার্তাও বলেছেন দোকানির সঙ্গে। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করেছেন ঝালমুড়ি খাওয়ার ছবিও। ঝালমুড়ির দোকানে প্রধানমন্ত্রীকে দেখে ভিড় জমান উচ্ছ্বসিত জনতা। 'জয় শ্রী রাম' স্লোগান উঠতে থাকে চারপাশ থেকে। অনেকেই আবার জিজ্ঞেস করতে থাকেন, 'বাংলার মুড়ি কেমন লাগল? ঝালমুড়ি কেমন লাগল?' বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মুখে শোনা যায় 'মোদিজি জিন্দাবাদ' স্লোগানও। মুড়ির দোকানে নরেন্দ্র মোদিকে দেখে আশপাশের প্রায় সকলেই ছবি তোলার জন্য বলতে থাকেন, 'স্যার একবার এদিকে তাকান...'। কাউকেই নিরাশ করেননি প্রধানমন্ত্রী। হাসিমুখে তাকিয়ে পোজ দিয়ে ছবি তুলেছেন। মোদির ব্যবহারে খুশি হয়ে কর্মী-সমর্থকদের অনেকেই স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি বলতে থাকেন, 'ওয়াও স্যার ওয়াও'। 

Continues below advertisement

ঝালমুড়ি খেতে খেতেই দোকানির সঙ্গে আলাপচারিতা সেরে নেন নরেন্দ্র মোদি। আশপাশে মহিলাদের সঙ্গেও কথা বলতে দেখা যায় তাঁকে। চারপাশে তখন উঠছে, 'ভারত মাতা কি জয়', 'মোদিজি জিন্দাবাদ স্লোগান'। এত কাছে প্রধানমন্ত্রীকে পেয়ে আপ্লুত সকলেই। একটা ছবি তোলার জন্য, কাছ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে একঝলক দেখার জন্য মুখিয়ে ছিলেন বিজেপির কর্মী-সমর্থক এবং আশপাশের সাধারণ মানুষদের অনেকেই। 

যাঁর দোকানে ঝালমুড়ি খেলেন নরেন্দ্র মোদি, কী বলছেন সেই দোকানদার? দোকানি বলছেন, 'স্যার এসে বললেন মুড়ি বানিয়ে দাও। খেয়ে বললেন দারুণ মুড়ি বানিয়েছ। মা-বাবার নাম জিজ্ঞেস করলেন। আমার নাম জিজ্ঞেস করলেন। জিজ্ঞেস করলেন কত রোজগার হয়। স্যার যাওয়ার সময় জয় শ্রী রাম বলেছিলাম। হাত নাড়লেন। তখনই ভেবেছিলাম হয়তো আসবেন। উনি এলেন। আমি খুব খুশি।' 

এবার পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে ২ দফায়। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোট। ১৫২ আসনে সেদিন ভোট গ্রহণ হবে। আর ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট। সেদিন ১৪২ আসনে ভোট গ্রহণ হবে। ভোটের গণনা হবে ৪ মে। ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর কোচবিহারে প্রথম সভা করেছিলেন নরেন্দ্র। গত উইকেন্ডেও পশ্চিমবঙ্গে একগুচ্ছ সভা ছিল তাঁর। ভোটের আগে শেষ রবিবার ১৯ এপ্রিলও মোট চার জায়গায় সভা করেছেন তিনি।